নিজেকে বোঝার কুইজ

পরীক্ষার চাপ কতটা? শিক্ষার্থীদের জন্য ৩ মিনিটের সেলফ-চেক

সেলফ-চেক শুরু করুন

সংক্ষেপে

এই ৩ মিনিটের সেলফ-চেক এসএসসি, এইচএসসি, ভর্তি পরীক্ষা বা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এমন শিক্ষার্থীদের জন্য। এর ১১টি প্রশ্নে জানতে চাওয়া হয়, গত দুই সপ্তাহে পরীক্ষার চাপ আপনার ঘুম, মনোযোগ, শরীর আর মনের ওপর কেমন প্রভাব ফেলেছে। উত্তর থাকে আপনার ডিভাইসেই, আমাদের কাছে পাঠানো হয় না। এটি রোগনির্ণয় নয়।

  • প্রায় ৩ মিনিট
  • ১১টি প্রশ্ন
  • গোপনীয়: উত্তর থাকে আপনার ডিভাইসেই
  • ১৩+ বছর বয়সীদের জন্য

এটি একটি সেলফ-চেক, রোগনির্ণয় নয়। এতে প্রায় ৩ মিনিট লাগবে। এটি শুধু তথ্যের জন্য — এর মাধ্যমে কোনো রোগনির্ণয় করা যায় না, আর এটি চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্পও নয়। আপনার উত্তর এই ডিভাইসেই থাকে; আমরা তা পাই না।

আপনার সেলফ-চেক

১১টি প্রশ্ন · প্রায় ৩ মিনিট · গোপনীয়: আপনার উত্তর এই ডিভাইসেই থাকে

গত দুই সপ্তাহ, অথবা পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু হওয়ার পর থেকে সময়টার কথা ভাবুন।

১. পরীক্ষা নিয়ে এত দুশ্চিন্তা হয় যে পড়া শুরু করাই কঠিন হয়ে যায়।
২. একই পাতা বারবার পড়ি, কিন্তু মাথায় ঢোকে না।
৩. পরীক্ষার কারণে আমি স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম, বা অনেক বেশি ঘুমাচ্ছি।
৪. পরীক্ষা বা রেজাল্টের আগে আমার মাথাব্যথা, পেটের সমস্যা বা বুক ধড়ফড় করে।
৫. পড়া থাকলেও পরীক্ষার হলে গিয়ে মাথা ফাঁকা হয়ে যায়।
৬. বন্ধুদের প্রস্তুতির সাথে তুলনা করে মনে হয় আমি পিছিয়ে আছি।
৭. সবাই যে রেজাল্ট আশা করে তা না পেলে মনে হয় পরিবারকে হতাশ করব।
৮. পড়ার জন্য খাওয়া, বিশ্রাম বা বন্ধুদের সাথে সময় বাদ দিই — তবুও মনে হয় যথেষ্ট হচ্ছে না।
৯. পরীক্ষার কারণে নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমার আশাহীন লাগে।
১০. বেশিরভাগ দিন আমি ছোট বিরতি নিই আর পছন্দের কিছু করি।
১১. আমার মনে হয়েছে বেঁচে থাকার কোনো মানে নেই, বা নিজের ক্ষতি করার চিন্তা এসেছে। (স্কোরে যোগ হয় না)

এই মুহূর্তে বিপদে আছেন? ৯৯৯-এ কল করুন বা নিকটস্থ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যান। জরুরি অবস্থার জন্য এই ওয়েবসাইট পর্যবেক্ষণ করা হয় না।

পরীক্ষার চাপ যাচাইয়ে কী দেখা হয়

এসএসসি, এইচএসসি, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা বা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এমন শিক্ষার্থীদের জন্য এই সেলফ-চেক। পরীক্ষার চাপ সাধারণত যেভাবে প্রকাশ পায়, প্রশ্নগুলো সেদিকে নজর দেয়: এত দুশ্চিন্তা যে পড়া শুরু করাই কঠিন, একই পাতা বারবার পড়েও মাথায় না ঢোকা, স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম বা অনেক বেশি ঘুম, মাথাব্যথা, পেটের সমস্যা বা বুক ধড়ফড়, আর পরীক্ষার হলে গিয়ে মাথা ফাঁকা হয়ে যাওয়া।

প্রশ্নগুলো চাপের উৎস নিয়েও জানতে চায়: বন্ধুদের সাথে নিজেকে তুলনা করা, পরিবারকে হতাশ করার ভয়, পড়ার জন্য খাওয়া, বিশ্রাম বা বন্ধুদের সময় বাদ দেওয়া, আর নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাহীন লাগা। একটি প্রশ্ন জানতে চায়, আপনি এখনো ছোট বিরতি নিয়ে পছন্দের কিছু করেন কি না — যা সাহায্য করে।

শেষ প্রশ্নটি জানতে চায়, বেঁচে থাকার কোনো মানে নেই বলে মনে হয়েছে কি না, বা নিজের ক্ষতি করার চিন্তা এসেছে কি না। এটি স্কোরে যোগ হয় না। প্রশ্নটি রাখা হয়েছে, যাতে এমন চিন্তা এলে সাথে সাথে দেখানো যায় কোথায় সাহায্য পাওয়া যায়।

কীভাবে কাজ করে, স্কোর কীভাবে হয়

গত দুই সপ্তাহ, অথবা পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু হওয়ার পর থেকে সময়টার কথা ভাবুন। প্রথম দশটি প্রশ্নে প্রতিটি উত্তরের স্কোর: “কখনো না বা খুব কম” ০, “মাঝে মাঝে” ১, “প্রায়ই” ২, আর “প্রায় সবসময়” ৩। বিরতি আর পছন্দের কাজের প্রশ্নটির স্কোর উল্টোভাবে হিসাব হয়। মোট স্কোর ০ থেকে ৩০: ০–৯ বলে পরীক্ষার চাপ সামলানোর মতো, ১০–১৯ বলে চাপ বাড়ছে, আর ২০–৩০ বলে পরীক্ষার চাপ অনেক বেশি।

ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রায়ই আশাহীন লাগে জানালে, ফলাফলে সাহায্য নেওয়া নিয়ে একটি নোট যোগ হবে। শেষ প্রশ্নে “কখনো না” ছাড়া অন্য যেকোনো উত্তর দিলে, পাতাটি সাথে সাথে দেখাবে কোথায় সাহায্য পাওয়া যায়।

প্রশ্নগুলো ইংরেজি ও বাংলায় একসাথে লিখেছে Dr. MR Siddique Psychiatry Centre-এর দল; বাংলা প্রশ্নগুলো প্রকাশিত কোনো প্রশ্নমালার অনুবাদ নয়। প্রশ্ন আর স্কোরের সীমাগুলো গবেষণায় যাচাই করা হয়নি। এই যাচাইয়ে আপনার নাম, ফোন নম্বর বা স্কুলের নাম চাওয়া হয় না; উত্তরের হিসাব হয় আপনার ব্রাউজারেই, আমাদের কাছে কখনো পাঠানো হয় না।

আপনার ফলাফলের অর্থ কী হতে পারে

পরীক্ষার আগে কিছুটা চাপ থাকা স্বাভাবিক2, আর অল্প নার্ভাস লাগা মনোযোগ বাড়াতেও পারে। কম স্কোর বলে, আপনার চাপ সেই সামলানোর মতো পর্যায়েই আছে। মাঝামাঝি স্কোর বলে, চাপ আপনার ঘুম, মনোযোগ বা শরীরে প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে। বেশি স্কোর বলে, পরীক্ষার চাপ আপনার ওপর অনেক ভারী হয়ে উঠেছে, আর হয়তো পড়াকে সহজ নয়, বরং আরও কঠিন করে তুলছে।

মন শান্ত করতে না পারা, মনোযোগ ধরে রাখতে কষ্ট হওয়া, শরীরে ব্যথা, আর ঘুম বা খিদে বদলে যাওয়া — এগুলো চাপের সাধারণ লক্ষণ2। এগুলো নিজের যত্ন নেওয়ার আর সাহায্য চাওয়ার সংকেত। এর মানে এই নয় যে আপনি দুর্বল বা যথেষ্ট মেধাবী নন।

আপনি একা নন। বাংলাদেশজুড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার্থীদের নিয়ে এক গবেষণায় অনেকের মধ্যেই বিষণ্ণতার লক্ষণ পাওয়া গেছে4। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (২০২৫) হিসাবে, বিশ্বজুড়ে ১০ থেকে ১৯ বছর বয়সী প্রতি ৭ জনে প্রায় ১ জনের কোনো মানসিক রোগ আছে5। বিশ্বাস করেন এমন কারো সাথে নিজের অনুভূতির কথা বলা একটি ভালো প্রথম পদক্ষেপ।

এখন আপনি কী করতে পারেন

পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এমন তরুণদের জন্য যুক্তরাজ্যের জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা (NHS)-র পরামর্শের মধ্যে আছে1:

  • বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা করুন। পড়াগুলো ছোট ছোট, সামলানোর মতো ভাগে ভাগ করে নিন।
  • ছোট ছোট নিয়মিত বিরতি নিন, টেবিল ছেড়ে একটু সরে গিয়ে।
  • সক্রিয় থাকুন। হাঁটা, খেলাধুলা বা অন্য ব্যায়াম শরীর ও মনের টান কমাতে সাহায্য করে।
  • ঘুম ঠিক রাখুন। নিয়মিত সময়ে ঘুমান, আর ঘুমানোর আগে স্ক্রিন সরিয়ে রাখুন2।
  • ঠিকমতো খান আর যথেষ্ট পানি পান করুন, ব্যস্ততার মধ্যেও।
  • প্রয়োজনে সাহায্য চান — শিক্ষক, বাবা-মা বা বন্ধুর কাছে।

আরও যা অনেক শিক্ষার্থীর কাজে আসে:

  • কয়েক মিনিট ধীরে শ্বাস নিন বা মনোযোগী সচেতনতার (মাইন্ডফুলনেস) চর্চা করুন — পড়তে বসার আগে বা পরীক্ষার হলে। মাইন্ডফুলনেস পরীক্ষাভীতি কমাতে সাহায্য করতে পারে6।
  • তুলনাটা খেয়াল করুন। বন্ধুদের প্রস্তুতি দেখে আপনার নিজের ফলাফল বোঝা যায় না। আজকের নিজের পরিকল্পনায় মন দিন।
  • আগের বছরের প্রশ্ন অনুশীলন করুন, যাতে পরীক্ষার হল অচেনা না লাগে।
  • প্রতিদিন পছন্দের একটি কাজ রাখুন, অল্প সময়ের জন্য হলেও।
  • পরীক্ষার হলে মাথা ফাঁকা হয়ে গেলে ধীরে শ্বাস নিন, প্রশ্নটি আবার পড়ুন, আর যা জানেন তা দিয়ে শুরু করুন।

যুক্তরাজ্যের রয়্যাল কলেজ অব সাইকিয়াট্রিস্টসের তরুণদের জন্য লেখা পরামর্শে বলা আছে, চাপ কীভাবে অনুভূতি, শরীর আর পড়াশোনায় প্রভাব ফেলে, আর তা সামলানোর আরও উপায়3। বাবা-মা মন দিয়ে সন্তানের কথা শুনে, বাসার পরিবেশ শান্ত রেখে, আর ঘুম, খাওয়া ও বিরতির সময় নিশ্চিত করে সাহায্য করতে পারেন। আরও উপায় পাবেন আমাদের পরীক্ষার চাপ নিয়ে গাইডে।

কখন সাহায্য নেবেন

নিচের কোনোটি হলে একজন যোগ্য বিশেষজ্ঞের — যেমন ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট, কাউন্সেলর বা বিএমডিসি-নিবন্ধিত মনোরোগ বিশেষজ্ঞ (সাইকিয়াট্রিস্ট) — সাথে কথা বলুন:

  • পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরও চাপ কমছে না;
  • আশাহীন লাগছে;
  • খাওয়া বা ঘুম প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে; অথবা
  • প্যানিক অ্যাটাক হচ্ছে।

চাপ যদি স্কুলে বা বাসায় দৈনন্দিন জীবনে বারবার প্রভাব ফেলতে থাকে, তা সাহায্য নেওয়ার একটি কারণ2। আপনার বয়স ১৮-এর কম হলে আপনার অনুভূতির কথা বাবা-মা, অভিভাবক, শিক্ষক বা বিশ্বাস করেন এমন কোনো বড় কারো সাথে বলুন। বাবা-মা বা অভিভাবক আপনার জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে পারেন। আপনার বয়স ১৮ বা তার বেশি হলে, আর পরীক্ষার পরও দুশ্চিন্তা চলতে থাকলে, দুশ্চিন্তার সেলফ-চেক (GAD-7) দেখাতে পারে দুশ্চিন্তা আপনার জীবনের অন্য দিকেও প্রভাব ফেলছে কি না।

নিজের ক্ষতি করার কোনো চিন্তা এলে দেরি না করে এখনই সাহায্য নিন: ৯৯৯-এ কল করুন বা নিকটস্থ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যান, আর বিশ্বাস করেন এমন কাউকে জানান। পরীক্ষা গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু আপনি তার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ — আর সাহায্য পাওয়া যায়।

এই সেলফ-চেক সম্পর্কে

নিজেকে নিয়ে ভাবতে সাহায্য করার জন্য এই কুইজটি আমাদের দল লিখেছে। এটি বৈজ্ঞানিকভাবে যাচাই (validated) করা হয়নি, এবং এর মাধ্যমে কোনো রোগনির্ণয় করা যায় না।

স্কোর যেভাবে হিসাব করা হয়

উত্তরগুলো যোগ করে মোট স্কোর হিসাব করা হয় — কিছু উত্তরের গুরুত্ব বেশি, কিছু উল্টোভাবে গোনা হয় — মোট স্কোর ০ থেকে ৩০। প্রশ্ন ১১ প্রসঙ্গ বোঝার জন্য — এটি স্কোরে যোগ হয় না।

স্কোর যা বোঝায়
০–৯ পরীক্ষার চাপ সামলানোর মতো — আপনার উত্তরে দেখা যাচ্ছে, আপনার পরীক্ষার চাপ সামলানোর মতো পর্যায়ে আছে। পরীক্ষার আগে কিছুটা নার্ভাস লাগা স্বাভাবিক, এমনকি তা মনোযোগ বাড়াতেও পারে।
১০–১৯ পরীক্ষার চাপ বাড়ছে — আপনার উত্তরে দেখা যাচ্ছে, চাপ আপনার ঘুম, মনোযোগ বা শরীরে প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে।
২০–৩০ পরীক্ষার চাপ অনেক বেশি — আপনার উত্তরে দেখা যাচ্ছে, পরীক্ষার চাপ আপনার ওপর অনেক ভারী হয়ে উঠেছে।

সাধারণ প্রশ্ন

এই পরীক্ষার চাপ যাচাই কাদের জন্য?

এসএসসি, এইচএসসি, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা বা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এমন ১৩ বছর বা তার বেশি বয়সী শিক্ষার্থীদের জন্য। সন্তান কী অনুভব করছে তা বুঝতে বাবা-মায়েরাও এটি পড়ে দেখতে পারেন। আপনার বয়স ১৮-এর কম হলে ফলাফলটি বাবা-মা, অভিভাবক, শিক্ষক বা বিশ্বাস করেন এমন কোনো বড় কারো সাথে ভাগ করে নিন।

এই কুইজ কতটা নির্ভুল?

এটি আমাদের দলের লেখা একটি স্ব-মূল্যায়নমূলক কুইজ, কোনো প্রমাণিত পরীক্ষা নয়; তাই এর নির্ভুলতা মাপা হয়নি। চাপ আপনার ঘুম, মনোযোগ, শরীর আর মনে কেমন প্রভাব ফেলছে, তা দ্রুত বুঝতে এটি কাজে আসে। পরীক্ষার বাইরেও দুশ্চিন্তা বা মন খারাপ নিয়ে চিন্তা থাকলে, একজন বিশেষজ্ঞ মূল্যায়নের অংশ হিসেবে যাচাইকৃত প্রশ্নমালা ব্যবহার করতে পারেন।

আমার উত্তরগুলোর কী হয়?

কিছুই আপনার ডিভাইসের বাইরে যায় না। উত্তরের হিসাব হয় আপনার ব্রাউজারে; সেগুলো আমাদের কাছে পাঠানো হয় না, কোথাও সংরক্ষণও করা হয় না। এই সেলফ-চেকে আপনার নাম, ফোন নম্বর বা স্কুলের নাম চাওয়া হয় না। ফোন বা কম্পিউটার অন্যরাও ব্যবহার করলে, উত্তর গোপন রাখতে শেষ হলে পাতাটি বন্ধ করে দিন।

বাবা-মা কি সন্তানের হয়ে এটি করতে পারেন?

প্রশ্নগুলো শিক্ষার্থীর নিজের উত্তর দেওয়ার জন্য লেখা, কারণ ভেতরে কেমন লাগছে তা শুধু শিক্ষার্থী নিজেই জানেন। বাবা-মা পাশে বসে থাকতে পারেন, বা ফলাফলটি একসাথে দেখে তা নিয়ে কথা বলতে পারেন। চিন্তিত বাবা-মা সবচেয়ে বেশি সাহায্য করতে পারেন শান্তভাবে কথা শুনে, আর ঘুম, খাওয়া ও বিরতির সময় নিশ্চিত করে।

ফলাফল বেশি এলে কী করব?

আজই বিশ্বাস করেন এমন কারো সাথে কথা বলুন — যেমন বাবা-মা, শিক্ষক, বন্ধু বা আত্মীয় — আর এই পাতার পদক্ষেপগুলো কাজে লাগান: ছোট ছোট ভাগে পড়া, নিয়মিত ঘুম, খাওয়া আর একটু ব্যায়াম। চাপ বেশি থেকেই গেলে বা আশাহীন লাগলে একজন কাউন্সেলর, ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট বা বিএমডিসি-নিবন্ধিত সাইকিয়াট্রিস্ট সাহায্য করতে পারেন। নিজের ক্ষতি করার চিন্তা এলে ৯৯৯-এ কল করুন বা নিকটস্থ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যান।

এই টেস্ট দিয়ে কি দুশ্চিন্তা বা বিষণ্ণতার রোগনির্ণয় হয়?

না। এই কুইজ দিয়ে কোনো রোগনির্ণয় করা যায় না। এটি দেখায়, এই মুহূর্তে পরীক্ষার চাপ আপনার ওপর কেমন প্রভাব ফেলছে। মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা আর মন খারাপ দেখতে প্রায় একরকম হতে পারে, আর প্রায়ই একসাথে থাকে; তাই আসলে কী হচ্ছে, তা বুঝতে একজন যোগ্য বিশেষজ্ঞের মূল্যায়ন প্রয়োজন, যিনি আপনার অনুভূতি, ঘুম, স্বাস্থ্য আর পড়াশোনা নিয়ে কথা বলবেন।

রেফারেন্স

  1. NHS. Tips on preparing for exams (reviewed 2023). — A realistic plan, short regular breaks, exercise, sleep, healthy eating and asking for help.
  2. World Health Organization. Stress: questions and answers (2026). — Some stress is normal, for example before exams; common signs; regular sleep and fewer screens before bed; when to seek help.
  3. Royal College of Psychiatrists. Coping with stress for young people (2022). — How stress affects feelings, the body, behaviour and schoolwork, and ways to cope.
  4. Prevalence of depression and its associated factors among undergraduate admission candidates in Bangladesh: a nation-wide cross-sectional study. PLOS ONE (2023). — Bangladesh: admission candidates from across the country; symptoms of depression on the PHQ-9 were common, more so among female candidates.
  5. World Health Organization. Mental health of adolescents (fact sheet, 2025). — Worldwide, about 1 in 7 people aged 10–19 has a mental disorder.
  6. Effects of mindfulness on test anxiety: a meta-analysis. Frontiers in Psychology (2024). — Mindfulness-based programmes reduced test anxiety; the evidence base is still modest.