নিজেকে বোঝার কুইজ

মোবাইলে কি আসক্ত হয়ে পড়ছেন? ফোন ব্যবহারের অভ্যাস নিয়ে ৩ মিনিটের সেলফ-চেক

সেলফ-চেক শুরু করুন

সংক্ষেপে

এই সেলফ-চেকে গত এক মাসে আপনার মোবাইল ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নিয়ে ১০টি প্রশ্ন আছে — রাত জেগে স্ক্রল করা থেকে শুরু করে ব্যবহার কমানোর চেষ্টা পর্যন্ত। প্রায় তিন মিনিট লাগে। আপনার উত্তরের হিসাব হয় আপনার ডিভাইসেই, আমাদের কাছে পাঠানো হয় না। ফলাফলে আপনার অভ্যাসের ধরন আর করণীয় থাকে; এটি রোগনির্ণয় নয়।

  • প্রায় ৩ মিনিট
  • ১০টি প্রশ্ন
  • গোপনীয়: উত্তর থাকে আপনার ডিভাইসেই
  • ১৩+ বছর বয়সীদের জন্য

এটি একটি সেলফ-চেক, রোগনির্ণয় নয়। এতে প্রায় ৩ মিনিট লাগবে। এটি শুধু তথ্যের জন্য — এর মাধ্যমে কোনো রোগনির্ণয় করা যায় না, আর এটি চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্পও নয়। আপনার উত্তর এই ডিভাইসেই থাকে; আমরা তা পাই না।

আপনার সেলফ-চেক

১০টি প্রশ্ন · প্রায় ৩ মিনিট · গোপনীয়: আপনার উত্তর এই ডিভাইসেই থাকে

গত এক মাসে নিচের কথাগুলো আপনার ক্ষেত্রে কত ঘন ঘন সত্যি ছিল?

১. ঘুম থেকে ওঠার কয়েক মিনিটের মধ্যেই আমি ফোন দেখি।
২. রাতে বিছানায় শুয়ে অনেক রাত পর্যন্ত আমি ফোন ব্যবহার করি।
৩. স্ক্রল করতে করতে সময়ের হিসাব থাকে না — 'পাঁচ মিনিট' হয়ে যায় এক ঘণ্টা।
৪. ফোন দেখতে না পারলে আমি অস্থির বা বিরক্ত হয়ে যাই।
৫. ফোন ব্যবহারের কারণে আমার পড়াশোনা, কাজ বা ঘরের কাজে ব্যাঘাত হয়।
৬. খাওয়ার সময় বা পরিবারের কেউ কথা বলার সময়ও আমি ফোন ব্যবহার করি।
৭. সোশ্যাল মিডিয়ায় সময় কাটানোর পর নিজেকে নিয়ে আমার খারাপ লাগে।
৮. ব্যবহার কমানোর চেষ্টা করেছি, কিন্তু আবার আগের অভ্যাসে ফিরে গেছি।
৯. কষ্টের অনুভূতি থেকে পালাতে আমি ফোনে ডুবে থাকি।
১০. দিনের নির্দিষ্ট কিছু সময় আমি নিয়মিত ফোন ছাড়া কাটাই।

এই মুহূর্তে বিপদে আছেন? ৯৯৯-এ কল করুন বা নিকটস্থ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যান। জরুরি অবস্থার জন্য এই ওয়েবসাইট পর্যবেক্ষণ করা হয় না।

এই মোবাইল আসক্তি টেস্টে কী দেখা হয়

এই সেলফ-চেক দেখে, আপনার দিনের কতটা জায়গা জুড়ে আছে মোবাইল ফোন আর সোশ্যাল মিডিয়া। এর ১০টি প্রশ্নে সেই অভ্যাসগুলোর কথা আছে, যেগুলো নিয়ে মানুষ সবচেয়ে বেশি চিন্তিত হন: ঘুম ভাঙতেই ফোন হাতে নেওয়া, রাতে বিছানায় শুয়ে অনেকক্ষণ স্ক্রল করা, সময়ের হিসাব হারিয়ে ফেলা, ফোন ছাড়া অস্থির লাগা, আর ফোনের কারণে পড়াশোনা, কাজ, খাওয়া বা পরিবারের সময়ে ব্যাঘাত হওয়া।

প্রশ্নগুলো আরও জানতে চায়: ব্যবহার কমানোর চেষ্টা করে আবার আগের অভ্যাসে ফিরে গেছেন কি না, সোশ্যাল মিডিয়ার পর নিজেকে নিয়ে খারাপ লাগে কি না, আর কষ্টের অনুভূতি থেকে পালাতে ফোনে ডুবে থাকেন কি না। শেষ প্রশ্নটি দিনের নিয়মিত ফোন-ছাড়া সময় নিয়ে — এই অভ্যাস ঘুম আর মনোযোগ রক্ষা করে।

প্রশ্নগুলো ঘণ্টার হিসাব নিয়ে নয়, অভ্যাস নিয়ে। একই সময় ফোন ব্যবহার করেও দুজন মানুষের জীবনে এর প্রভাব খুব আলাদা হতে পারে। তাই এই যাচাইয়ে দেখা হয়, ফোন ব্যবহার আপনার দিনের ওপর কী প্রভাব ফেলছে।

কীভাবে কাজ করে, স্কোর কীভাবে হয়

প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর দিন গত এক মাসের কথা ভেবে। প্রতিটি উত্তরের স্কোর: “কখনো না বা খুব কম” ০, “মাঝে মাঝে” ১, “প্রায়ই” ২, আর “প্রায় সবসময়” ৩। ফোন-ছাড়া সময়ের প্রশ্নটির স্কোর উল্টোভাবে হিসাব হয়, কারণ এটি একটি ভালো অভ্যাসের কথা বলে। মোট স্কোর ০ থেকে ৩০: ০–৯ বলে আপনার ফোন ব্যবহার মোটামুটি ভারসাম্যপূর্ণ, ১০–১৯ বলে কিছু অভ্যাস নতুন করে সাজানো দরকার, আর ২০–৩০ বলে ফোন হয়তো আপনার দিনের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিচ্ছে।

প্রশ্নগুলো ইংরেজি ও বাংলায় একসাথে লিখেছে Dr. MR Siddique Psychiatry Centre-এর দল; বাংলা প্রশ্নগুলো প্রকাশিত কোনো প্রশ্নমালার অনুবাদ নয়। প্রশ্ন আর স্কোরের সীমাগুলো গবেষণায় যাচাই করা হয়নি, তাই ফলাফলকে মাপজোখ নয়, নিজেকে নিয়ে ভাবার একটি নির্দেশিকা হিসেবে দেখুন। আপনার উত্তরের হিসাব হয় আপনার ব্রাউজারেই, আমাদের কাছে কখনো পাঠানো হয় না।

আপনার ফলাফলের অর্থ কী হতে পারে

কম স্কোর বলে, ফোন আপনার জীবনের সাথে মানিয়ে আছে। মাঝামাঝি স্কোর সাধারণত বোঝায়, এক-দুটি অভ্যাস — বেশিরভাগ সময় রাত জেগে স্ক্রল বা অনবরত নোটিফিকেশন — ঘুম বা মনোযোগে ভাগ বসাচ্ছে। বেশি স্কোর বলে, ফোন ব্যবহার ঘুম, পড়াশোনা, কাজ বা সম্পর্কে প্রভাব ফেলছে, আর কমানোর চেষ্টাও কঠিন হচ্ছে।

“মোবাইল আসক্তি” আনুষ্ঠানিক কোনো রোগনির্ণয় নয়। মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা সাধারণত এই ধরনকে সমস্যাজনক স্মার্টফোন বা সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার বলেন1। এই কুইজ কোনো রোগনির্ণয় করে না; এটি খেয়াল করার মতো অভ্যাসগুলো দেখায়। গেম ও ইন্টারনেট আসক্তি নিয়ে আরও পড়তে পারেন।

অতিরিক্ত অনলাইন ব্যবহার আর কষ্টের অনুভূতি প্রায়ই একসাথে চলে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে এক গবেষণায় সমস্যাজনক ইন্টারনেট ব্যবহারের সাথে মানসিক কষ্টের সম্পর্ক পাওয়া গেছে2। কিশোর-কিশোরীদের নিয়ে করা গবেষণাগুলোর একটি পর্যালোচনায় দেখা গেছে, সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের সাথে ভালো থাকার অনুভূতি কমে যাওয়ার সম্পর্ক আছে, আর কতক্ষণ ব্যবহার করছেন তার পাশাপাশি কীভাবে ব্যবহার করছেন, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ4। দুশ্চিন্তা, মন খারাপ বা একাকিত্ব থেকে পালাতে ফোন হাতে নিলে, সেই অনুভূতিগুলোর দিকেও মনোযোগ দেওয়া দরকার।

এখন আপনি কী করতে পারেন

“ফোন কম চালাব” — এমন সাধারণ প্রতিজ্ঞার বদলে ছোট ও নির্দিষ্ট পরিবর্তন বেছে নিন। এক বা দুটি বেছে নিয়ে দুই সপ্তাহ চেষ্টা করুন:

  • দিনের শুরু আর শেষটা আলাদা রাখুন। দিনের প্রথম আর শেষ এক ঘণ্টা ফোন ছাড়া কাটান, আর ঘুম ঠিক রাখতে রাতে শোবার ঘরের বাইরে ফোন চার্জ দিন6। ভালো ঘুমের অভ্যাস নিয়ে আমাদের গাইডে আরও উপায় আছে।
  • অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন বন্ধ রাখুন। নোটিফিকেশন যত কম, ফোন হাতে নেওয়ার কারণও তত কম।
  • একটু বাধা তৈরি করুন। সোশ্যাল মিডিয়ার অ্যাপগুলো হোম স্ক্রিন থেকে সরিয়ে রাখুন, বা প্রতিবার ব্যবহারের পর লগ আউট করুন।
  • ফোন-ছাড়া সময় ঠিক করুন। খাওয়ার সময়, পরিবারের সাথে গল্প আর পড়ার সময় দিয়ে শুরু করা যায়।
  • শুধু বাদ দেবেন না, বদলে কিছু করুন। ফোনের বদলে কী করবেন ঠিক করে নিন — হাঁটা, খেলাধুলা, বন্ধুর সাথে সময় কাটানো বা বই পড়া। বাংলাদেশে করা একটি বড় জরিপে কম ব্যায়াম এবং অনলাইন গেম ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের সাথে সমস্যাজনক ইন্টারনেট ব্যবহারের সম্পর্ক পাওয়া গেছে3।
  • ফোন খোলার আগে অনুভূতিটা খেয়াল করুন। উত্তর যদি প্রায়ই হয় একঘেয়েমি, চাপ বা মন খারাপ, তবে তা জেনে রাখা কাজে লাগবে।

আবার পুরোনো অভ্যাসে ফিরে গেলে হাল ছাড়বেন না; পরদিন থেকে পরিকল্পনাটি আবার শুরু করুন। আপনার বয়স ১৮-এর কম হলে বাবা-মা বা বিশ্বাস করেন এমন কোনো বড় কেউ এমন সীমা ঠিক করতে সাহায্য করতে পারেন, যা টিকে থাকে।

কখন সাহায্য নেবেন

ফোন বা গেমিংয়ের কারণে নিচের কোনোটি হলে একজন যোগ্য বিশেষজ্ঞের — যেমন বিএমডিসি-নিবন্ধিত মনোরোগ বিশেষজ্ঞ (সাইকিয়াট্রিস্ট) বা ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্টের — সাথে কথা বলুন:

  • ক্লাস বা কাজ বাদ পড়ছে;
  • বাসায় প্রায়ই ঝগড়া হচ্ছে;
  • খুব কম ঘুম হচ্ছে; অথবা
  • এর আড়ালে মন খারাপ বা দুশ্চিন্তা লুকিয়ে আছে বলে মনে হচ্ছে।

কথা-ভিত্তিক থেরাপি সাহায্য করতে পারে। গবেষণায় কগনিটিভ বিহেভিয়ারাল থেরাপি (সিবিটি) গেমিংয়ের সমস্যা আছে এমন মানুষদের লক্ষণ কমিয়েছে, অন্তত স্বল্প মেয়াদে5; একজন ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট ফোনের অভ্যাস বদলাতেও একই ধরনের পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন। একজন সাইকিয়াট্রিস্ট দেখতে পারেন বিষণ্ণতা, দুশ্চিন্তা বা মনোযোগের সমস্যা এর পেছনে আছে কি না। আপনার বয়স ১৮-এর কম হলে আপনার অনুভূতির কথা বাবা-মা, অভিভাবক, শিক্ষক বা বিশ্বাস করেন এমন কোনো বড় কারো সাথে বলুন। বাবা-মা বা অভিভাবক আপনার জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে পারেন।

নিজের ক্ষতি করার কোনো চিন্তা এলে, বা এখনই বিপদে থাকলে, ৯৯৯-এ কল করুন অথবা নিকটস্থ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যান।

এই সেলফ-চেক সম্পর্কে

নিজেকে নিয়ে ভাবতে সাহায্য করার জন্য এই কুইজটি আমাদের দল লিখেছে। এটি বৈজ্ঞানিকভাবে যাচাই (validated) করা হয়নি, এবং এর মাধ্যমে কোনো রোগনির্ণয় করা যায় না।

স্কোর যেভাবে হিসাব করা হয়

উত্তরগুলো যোগ করে মোট স্কোর হিসাব করা হয় — কিছু উত্তরের গুরুত্ব বেশি, কিছু উল্টোভাবে গোনা হয় — মোট স্কোর ০ থেকে ৩০।

স্কোর যা বোঝায়
০–৯ আপনার ফোন ব্যবহার মোটামুটি ভারসাম্যপূর্ণ — আপনার উত্তরে দেখা যাচ্ছে, ফোন আপনার জীবন চালাচ্ছে না — বরং আপনার জীবনের সাথে মানিয়ে আছে।
১০–১৯ কিছু অভ্যাস নতুন করে সাজানো দরকার — আপনার উত্তরে দেখা যাচ্ছে, রাত জেগে স্ক্রল করার মতো কিছু অভ্যাস হয়তো আপনার ঘুম বা মনোযোগ কমিয়ে দিচ্ছে।
২০–৩০ ফোন হয়তো আপনার দিনের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিচ্ছে — আপনার উত্তরে দেখা যাচ্ছে, ফোন ব্যবহার আপনার ঘুম, পড়াশোনা, কাজ বা সম্পর্কে প্রভাব ফেলছে, আর কমানোর চেষ্টাও কঠিন হচ্ছে।

সাধারণ প্রশ্ন

এই মোবাইল আসক্তি টেস্ট কাদের জন্য?

১৩ বছর বা তার বেশি বয়সী যে কেউ, যিনি নিজের মোবাইল ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের অভ্যাস খোলা মনে দেখতে চান — শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী বা বাবা-মা, সবার জন্য। আপনার বয়স ১৮-এর কম হলে ফলাফলটি বাবা-মা, অভিভাবক বা বিশ্বাস করেন এমন কোনো বড় কারো সাথে ভাগ করে নিন, আর কী বদলাতে চান তা নিয়ে কথা বলুন।

এই কুইজ কতটা নির্ভুল?

এটি আমাদের দলের লেখা একটি স্ব-মূল্যায়নমূলক কুইজ, কোনো প্রমাণিত পরীক্ষা নয়; তাই এর নির্ভুলতা মাপা হয়নি। কোন অভ্যাস বদলানো দরকার, তা খুঁজে পেতে এটি কাজে আসে, আর ফলাফল ততটাই ঠিক, যতটা ঠিক আপনার উত্তর। সমস্যাজনক স্মার্টফোন ব্যবহার মাপতে গবেষকেরা যাচাইকৃত প্রশ্নমালা ব্যবহার করেন; প্রয়োজনে মূল্যায়নের অংশ হিসেবে একজন বিশেষজ্ঞও তা ব্যবহার করতে পারেন।

আমার উত্তরগুলোর কী হয়?

কিছুই আপনার ডিভাইসের বাইরে যায় না। উত্তরের হিসাব হয় আপনার ব্রাউজারে; সেগুলো আমাদের কাছে পাঠানো হয় না, কোথাও সংরক্ষণও করা হয় না। এই সেলফ-চেকে আপনার নাম বা ফোন নম্বর চাওয়া হয় না। ফোনটি অন্যরাও ব্যবহার করলে, উত্তর গোপন রাখতে শেষ হলে পাতাটি বন্ধ করে দিন।

অন্য কারো হয়ে কি এটি করা যায়?

প্রশ্নগুলো নিজের অভ্যাস নিয়ে লেখা, তাই নিজের জন্য উত্তর দিলেই ফলাফল সবচেয়ে কাজের হয়। পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক কাউকে নিয়ে চিন্তা হলে, তাঁর হয়ে উত্তর না দিয়ে পাতাটি তাঁকে পাঠান আর ফলাফল নিয়ে একসাথে কথা বলুন। সন্তানকে নিয়ে চিন্তা হলে বাবা-মায়ের জন্য লেখা সন্তানের স্ক্রিন ব্যবহার যাচাই ব্যবহার করুন।

ফলাফল বেশি এলে কী করব?

বেশি ফলাফলকে কোনো তকমা হিসেবে নয়, পরিকল্পনা করার কারণ হিসেবে দেখুন। এই পাতার তালিকা থেকে দু-তিনটি পরিবর্তন দিয়ে শুরু করুন — যেমন শোবার ঘরে ফোন না রাখা আর নোটিফিকেশন কমানো — এবং কয়েক সপ্তাহ পর আবার যাচাই করুন। তবুও কমানো কঠিন হলে, বা মন খারাপ, দুশ্চিন্তা বা ঘুমের সমস্যাও থাকলে, একজন বিএমডিসি-নিবন্ধিত সাইকিয়াট্রিস্ট বা ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্টের সাথে কথা বলুন।

এই কুইজ দিয়ে কি জানা যাবে আমার মোবাইল আসক্তি আছে কি না?

না। এই কুইজ দিয়ে কোনো রোগনির্ণয় করা যায় না। এটি দেখায়, ফোন ব্যবহারের অভ্যাস আপনার দিনের ওপর কেমন প্রভাব ফেলছে — যা কী বদলাবেন তা ঠিক করতে সাহায্য করে। আসলে কী হচ্ছে, তা বুঝতে একজন যোগ্য বিশেষজ্ঞের মূল্যায়ন প্রয়োজন, যেখানে আপনার ঘুম, মন, পড়াশোনা বা কাজসহ গুরুত্বপূর্ণ সব বিষয় নিয়ে কথা হয়।

রেফারেন্স

  1. American Psychiatric Association. What is technology addiction? (reviewed 2024). — Problematic smartphone, social-media and gaming use: signs, treatment and prevention. Most technology 'addictions' are not formal diagnoses.
  2. Prevalence and risk factors of problematic internet use and the associated psychological distress among graduate students of Bangladesh. Asian Journal of Gambling Issues and Public Health (2016). — Bangladesh: students at the University of Dhaka; problematic internet use was linked with psychological distress (cross-sectional study).
  3. Problematic internet use among young and adult population in Bangladesh: correlates with lifestyle and online activities during the COVID-19 pandemic. Addictive Behaviors Reports (2020). — Bangladesh: online survey of people aged 18–50; problematic use was linked with less exercise, online gaming and social media use.
  4. Santos RMS, et al. The associations between screen time and mental health in adolescents: a systematic review. BMC Psychology (2023). — Social media use was linked with lower wellbeing in teenagers; the type of use matters as well as the time.
  5. Stevens MWR, et al. Cognitive-behavioral therapy for Internet gaming disorder: a systematic review and meta-analysis. Clinical Psychology & Psychotherapy (2019). — CBT reduced gaming disorder symptoms in the short term; longer-term effects are less certain.
  6. UNICEF Parenting. 3 ways you can help your teen manage screen time. — Curiosity, offline activities, modelling healthy use, and no devices in the bedroom overnight to protect sleep.