IGDS9-SF (ইন্টারনেট গেমিং ডিসঅর্ডার স্কেল–সংক্ষিপ্ত) গত ১২ মাসে আপনার গেমিং নিয়ে ৯টি প্রশ্ন করে — মোবাইল, ট্যাব, কম্পিউটার বা কনসোল, অনলাইন বা অফলাইন, যেকোনো ডিভাইসে খেলা গেম।1 প্রতিটি প্রশ্ন গেমিং-সমস্যার একটি করে সতর্কসংকেত দেখে:
- বেশিরভাগ সময় গেম নিয়েই ভাবা;
- খেলা কমাতে চাইলে বিরক্তি, দুশ্চিন্তা বা মন খারাপ হওয়া;
- আগের মতো আনন্দ পেতে আরও বেশি সময় খেলার দরকার হওয়া;
- চেষ্টা করেও খেলা নিয়ন্ত্রণ করতে বা থামাতে না পারা;
- আগের শখ ও বিনোদনে আগ্রহ হারানো;
- অন্যদের সাথে সমস্যা হচ্ছে জেনেও খেলা চালিয়ে যাওয়া;
- কতটা খেলছেন তা পরিবার বা অন্যদের কাছে লুকানো;
- মন খারাপ থেকে পালাতে খেলা;
- গেমের কারণে কোনো সম্পর্ক, পড়াশোনা, চাকরি বা সুযোগ ঝুঁকিতে পড়া।
গেম খেলা অনেক কিশোর-কিশোরী ও প্রাপ্তবয়স্কের দৈনন্দিন জীবনের স্বাভাবিক অংশ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) গেমিং ডিসঅর্ডার বলতে এমন একটি ধরন বোঝায়, যেখানে গেম খেলার ওপর নিয়ন্ত্রণ কমে যায়, অন্য আগ্রহ ও দৈনন্দিন কাজের চেয়ে গেম বেশি গুরুত্ব পায়, আর ক্ষতি হচ্ছে জেনেও খেলা চলতে থাকে — সাধারণত অন্তত ১২ মাস ধরে। যাঁরা গেম খেলেন, তাঁদের খুব ছোট একটি অংশের মধ্যেই এটি দেখা যায়।4