সিদ্ধান্ত নেওয়ার গাইড

সাইকিয়াট্রিস্ট দেখানো কি দরকার? ৩ মিনিটের সেলফ-চেকে জেনে নিন পরবর্তী পদক্ষেপ

সেলফ-চেক শুরু করুন

সংক্ষেপে

৩ মিনিটের এই সেলফ-চেকে গত এক মাসের মন খারাপ, দুশ্চিন্তা, ঘুম, অস্বাভাবিক অভিজ্ঞতা আর দৈনন্দিন জীবন নিয়ে ১১টি প্রশ্ন আছে। ফলাফল থেকে ধারণা পাবেন, একজন বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলা উপকারী হবে কি না, আর প্রথমে সাইকিয়াট্রিস্ট দেখানো ভালো কি না। এটি একটি সেলফ-চেক, রোগনির্ণয় নয়: কী হচ্ছে তা বুঝতে একজন যোগ্য বিশেষজ্ঞের মূল্যায়ন প্রয়োজন।

  • প্রায় ৩ মিনিট
  • ১১টি প্রশ্ন
  • গোপনীয়: উত্তর থাকে আপনার ডিভাইসেই
  • ১৬+ বছর বয়সীদের জন্য

এটি একটি সেলফ-চেক, রোগনির্ণয় নয়। এতে প্রায় ৩ মিনিট লাগবে। এটি শুধু তথ্যের জন্য — এর মাধ্যমে কোনো রোগনির্ণয় করা যায় না, আর এটি চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্পও নয়। আপনার উত্তর এই ডিভাইসেই থাকে; আমরা তা পাই না।

আপনার সেলফ-চেক

১১টি প্রশ্ন · প্রায় ৩ মিনিট · গোপনীয়: আপনার উত্তর এই ডিভাইসেই থাকে

গত এক মাসে নিচের কথাগুলো আপনার ক্ষেত্রে কত ঘন ঘন সত্যি ছিল?

১. দিনের বেশিরভাগ সময় মন খারাপ, ফাঁকা বা আশাহীন লেগেছে।
২. দুশ্চিন্তা, অস্থিরতা বা আতঙ্ক (প্যানিক) বোধ করেছি।
৩. আমার ঘুমে বড় পরিবর্তন হয়েছে — অনেক কম বা অনেক বেশি।
৪. সাধারণত যা ভালো লাগে, তাতে আগ্রহ হারিয়েছি।
৫. এই অনুভূতিগুলোর কারণে পড়াশোনা, কাজ বা ঘর-পরিবার সামলানো কঠিন হয়েছে।
৬. সামলাতে মদ, মাদক বা ঘুমের ওষুধের আশ্রয় নিয়েছি।
৭. কাছের মানুষেরা বলেছে তারা আমাকে নিয়ে চিন্তিত।
৮. এমন অনাকাঙ্ক্ষিত চিন্তা, ভয় বা অভ্যাস হয়েছে যা নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না — যেমন বারবার চেক করা বা ধোয়া।
৯. এমন সময় গেছে যখন অস্বাভাবিক বেশি শক্তি ছিল, খুব কম ঘুমেও চলেছে, বা চিন্তা খুব দ্রুত ছুটেছে।
১০. এমন কিছু শুনেছি বা দেখেছি যা অন্যরা শোনে বা দেখে না, অথবা মনে হয়েছে লোকজন আমার বিরুদ্ধে — যা অন্যরা বুঝতে পারে না।
১১. মনে হয়েছে মরে গেলেই ভালো, বা নিজের ক্ষতি করার চিন্তা এসেছে। (স্কোরে যোগ হয় না)

এই মুহূর্তে বিপদে আছেন? ৯৯৯-এ কল করুন বা নিকটস্থ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যান। জরুরি অবস্থার জন্য এই ওয়েবসাইট পর্যবেক্ষণ করা হয় না।

এই সেলফ-চেক কী দেখে

একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ (সাইকিয়াট্রিস্ট) দেখানোর সময় হয়েছে কি না — এই সিদ্ধান্ত নিতে সেলফ-চেকটি সাহায্য করে। প্রশ্নগুলো গত এক মাস নিয়ে, কারণ কয়েক দিনের কষ্ট জীবনেরই অংশ; কিন্তু যে সমস্যা টিকে থাকে বা বারবার ফিরে আসে, তার জন্য চিকিৎসার প্রয়োজন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

যেসব কারণে মানুষ সাধারণত সাইকিয়াট্রিস্টের কাছে যান, প্রশ্নগুলো সেসব নিয়েই:

  • মন খারাপ, আগ্রহ হারিয়ে ফেলা, দুশ্চিন্তা বা আতঙ্ক;
  • ঘুমে বড় পরিবর্তন;
  • পড়াশোনা, কাজ ও পারিবারিক জীবনে এর প্রভাব;
  • সামলাতে মদ, মাদক বা ঘুমের ওষুধের আশ্রয় নেওয়া;
  • এমন অনাকাঙ্ক্ষিত চিন্তা বা অভ্যাস, যা নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন — যেমন বারবার চেক করা বা ধোয়া;
  • অস্বাভাবিক বেশি শক্তির সময়, আর অন্যরা শোনে না এমন কিছু শোনার মতো অস্বাভাবিক অভিজ্ঞতা।

মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা খুবই সাধারণ, এবং এর প্রতিরোধ ও চিকিৎসার কার্যকর উপায় আছে1। শেষ প্রশ্নটি মৃত্যু বা নিজের ক্ষতির চিন্তা নিয়ে, যাতে যাঁর জরুরি সাহায্য দরকার, তিনি সাথে সাথেই তা দেখতে পান।

কীভাবে কাজ করে, স্কোর কীভাবে হয়

১ থেকে ১০ নম্বর প্রশ্নের প্রতিটিতে ০ (“কখনো না বা খুব কম”) থেকে ৩ (“প্রায় সবসময়”) পর্যন্ত স্কোর হয়, তাই মোট স্কোর ০ থেকে ৩০। মোট স্কোর অনুযায়ী ফলাফল তিনটি ধাপের একটিতে পড়ে:

মোট স্কোরফলাফল
০–৭এই মুহূর্তে জোরালো কোনো লক্ষণ নেই
৮–১৫একজন বিশেষজ্ঞের মতামত উপকারী হতে পারে
১৬–৩০একজন সাইকিয়াট্রিস্ট দেখানো ভালো পরবর্তী পদক্ষেপ

মোট স্কোর যা-ই হোক, দুটি উত্তরে ফলাফল সরাসরি তৃতীয় ধাপে যায়:

  • খুব কম ঘুমেও অস্বাভাবিক বেশি শক্তির সময়, উত্তর “প্রায়ই” বা তার বেশি হলে। এটি ম্যানিয়ার লক্ষণ হতে পারে, যা বাইপোলার ডিসঅর্ডারের অংশ3।
  • অন্যরা শোনে বা দেখে না এমন কিছু শোনা বা দেখা, অথবা লোকজন আপনার বিরুদ্ধে বলে মনে হওয়া, উত্তর “মাঝে মাঝে” বা তার বেশি হলে। এগুলো সাইকোসিসের লক্ষণ হতে পারে2, তাই দ্রুত একজন সাইকিয়াট্রিস্টের মূল্যায়ন করানো ভালো।

১১ নম্বর প্রশ্ন (মৃত্যু বা নিজের ক্ষতির চিন্তা) মোট স্কোরে যোগ হয় না। “কখনো না বা খুব কম” ছাড়া অন্য যেকোনো উত্তরে সাথে সাথে জরুরি সাহায্যের তথ্য দেখানো হয়। এরপরও আপনি সেলফ-চেক শেষ করে ফলাফল দেখতে পারবেন।

ফলাফলের অর্থ কী হতে পারে

ফলাফল আপনার উত্তরের একটি ধরন দেখায় — আপনি মানুষটি কেমন, তা নয়। এটি একটি সেলফ-চেক, রোগনির্ণয় নয়। কী হচ্ছে তা বুঝতে একজন যোগ্য বিশেষজ্ঞের মূল্যায়ন প্রয়োজন, যিনি আপনার সাথে কথা বলবেন এবং শারীরিক স্বাস্থ্যও বিবেচনা করবেন।

  • এই মুহূর্তে জোরালো কোনো লক্ষণ নেই: এখনই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসার প্রয়োজনের ইঙ্গিত নেই। তবু কোনো বিষয় ভাবালে কারো সাথে কথা বলা ভালো।
  • একজন বিশেষজ্ঞের মতামত উপকারী হতে পারে: কিছু সমস্যা আপনার ওপর প্রভাব ফেলছে। দুই সপ্তাহ বা তার বেশি সময় ধরে থাকলে একজন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ বিষয়টি বুঝতে সাহায্য করবে।
  • একজন সাইকিয়াট্রিস্ট দেখানো ভালো পরবর্তী পদক্ষেপ: আপনার উত্তরে উল্লেখযোগ্য সমস্যার ইঙ্গিত আছে, অথবা এমন অভিজ্ঞতা আছে যা একজন সাইকিয়াট্রিস্টের মূল্যায়ন করা দরকার।

সাইকিয়াট্রিস্ট হলেন মানসিক স্বাস্থ্যে বিশেষজ্ঞ একজন চিকিৎসক। তিনি রোগনির্ণয় করেন, শারীরিক কোনো কারণ আছে কি না যাচাই করেন, এবং চিকিৎসার উপায় — থেরাপি, ওষুধ বা দুটোই — বুঝিয়ে বলেন। ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট মূল্যায়ন করেন এবং কথা-ভিত্তিক থেরাপি (সাইকোথেরাপি) দেন। কার কাছে যাবেন বুঝতে না পারলে সাইকিয়াট্রিস্ট নাকি সাইকোলজিস্ট গাইড-এর ১০টি ছোট প্রশ্ন সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে।

এখন আপনি কী করতে পারেন

ফলাফল যা-ই হোক, সিদ্ধান্ত নেওয়ার এই সময়টায় কয়েকটি পদক্ষেপ কাজে দেয়:

  • যা লক্ষ করেছেন, লিখে রাখুন: কবে শুরু হয়েছে, ঘুম ও খাওয়া কেমন চলছে, আর ঘরে, পড়াশোনায় বা কাজে কী কঠিন হয়ে উঠেছে। এমন নোট থাকলে প্রথম সাক্ষাৎ সহজ হয়; দেখুন প্রথম সাক্ষাতে কী হয়।
  • বিশ্বাস করেন এমন কারো সাথে কথা বলুন। মুখে বললে পরের পদক্ষেপটা অনেক সময় সহজ মনে হয়।
  • সহজ একটি রুটিন রাখুন: নিয়মিত ঘুম ও খাওয়া, দিনের আলোয় কিছুটা সময় আর প্রতিদিন একটু হাঁটাচলা।
  • সামলাতে মদ, মাদক বা ঘুমের ওষুধের আশ্রয় নেবেন না, আর নিয়ে থাকলে যে বিশেষজ্ঞকে দেখাবেন, তাঁকে জানান। চিকিৎসকের সাথে কথা না বলে কোনো ওষুধ শুরু, বন্ধ বা পরিবর্তন করবেন না।
  • দুই সপ্তাহ পর আবার যাচাই করুন, পরিস্থিতি বদলালে তার আগেই।

সঠিক চিকিৎসায় অনেকেই ভালো বোধ করেন, তবে সেরে ওঠার পথ একেকজনের একেক রকম1।

কখন সাহায্য নেবেন

এই সমস্যাগুলো দুই সপ্তাহ বা তার বেশি সময় ধরে থাকলে, অথবা পড়াশোনা, কাজ বা পারিবারিক জীবনে প্রভাব ফেললে একজন যোগ্য বিশেষজ্ঞ, যেমন বিএমডিসি-নিবন্ধিত সাইকিয়াট্রিস্ট বা ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট দেখান। বেসরকারি চেম্বারের পাশাপাশি সরকারি হাসপাতালেও এই চিকিৎসা পাওয়া যায়।

সেদিনই সাহায্য নিন, যদি:

  • নিজের ক্ষতি করার চিন্তা আসে;
  • এমন কণ্ঠ শোনেন বা জিনিস দেখেন, যা অন্যরা শোনে বা দেখে না;
  • কয়েক রাত একদমই ঘুম না হয়।

আপনার বয়স ১৮-এর কম হলে আপনার অনুভূতির কথা বাবা-মা, অভিভাবক, শিক্ষক বা বিশ্বাস করেন এমন কোনো বড় কারো সাথে বলুন। বাবা-মা বা অভিভাবক আপনার জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে পারেন।

এই কুইজ সম্পর্কে

Dr. MR Siddique Psychiatry Centre-এর দল এই কুইজটি লিখেছে, যাতে মানুষ পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করতে পারেন। এটি কোনো প্রমাণিত (validated) পরীক্ষা নয়, এবং এর মাধ্যমে কোনো রোগনির্ণয় করা যায় না। প্রশ্নগুলো আমাদের নিজেদের ভাষায় লেখা; কোনো প্রকাশিত প্রশ্নমালা থেকে নেওয়া বা অনুবাদ করা নয়। নিজের অবস্থা খেয়াল করতে আর কথা শুরু করতে এটি ব্যবহার করুন — বিশ্বাস করেন এমন কারো সাথে, অথবা একজন বিশেষজ্ঞের সাথে।

নিচের উৎসগুলো এই পাতায় উল্লেখ করা লক্ষণগুলো ব্যাখ্যা করে। কয়েকটি যুক্তরাজ্যের পাঠকদের জন্য লেখা, তবে লক্ষণগুলো সব দেশেই এক।

এই সেলফ-চেক সম্পর্কে

সম্ভাব্য প্রথম পদক্ষেপ বুঝতে সাহায্য করার জন্য এই গাইডটি আমাদের দল লিখেছে। এটি বৈজ্ঞানিকভাবে যাচাই (validated) করা হয়নি, এবং এর মাধ্যমে কোনো রোগনির্ণয় করা যায় না।

স্কোর যেভাবে হিসাব করা হয়

কিছু উত্তরের গুরুত্ব অন্যগুলোর চেয়ে বেশি; সব মিলিয়ে উত্তরগুলো নিচের কোনো একটি পরামর্শের দিকে ইঙ্গিত করে। এটি একটি সম্ভাব্য প্রথম পদক্ষেপের গাইড — কেউ কতটা অসুস্থ, তার মাপ নয়। প্রশ্ন ১১ প্রসঙ্গ বোঝার জন্য — এটি স্কোরে যোগ হয় না।

ফলাফল যা বোঝায়
এই মুহূর্তে জোরালো কোনো লক্ষণ নেই আপনার উত্তরে এই মুহূর্তে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসার জোরালো কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।
একজন বিশেষজ্ঞের মতামত উপকারী হতে পারে আপনার কিছু উত্তরে দেখা যাচ্ছে, কিছু সমস্যা আপনার ওপর প্রভাব ফেলছে।
একজন সাইকিয়াট্রিস্ট দেখানো ভালো পরবর্তী পদক্ষেপ আপনার উত্তরে উল্লেখযোগ্য সমস্যার ইঙ্গিত আছে, অথবা এমন অভিজ্ঞতা আছে যা একজন সাইকিয়াট্রিস্টের মূল্যায়ন করা ভালো।

সাধারণ প্রশ্ন

এই সেলফ-চেক কাদের জন্য?

১৬ বছর বা তার বেশি বয়সী যে কেউ, যিনি ভাবছেন মন খারাপ, দুশ্চিন্তা, ঘুম বা অন্য কোনো সমস্যার জন্য বিশেষজ্ঞ দেখানো দরকার কি না। নিজের কথা ভেবে, গত এক মাস মাথায় রেখে উত্তর দিলে এটি সবচেয়ে ভালো কাজ করে। বয়স ১৮-এর কম হলে ফলাফলটি বাবা-মা, অভিভাবক বা বিশ্বাস করেন এমন কোনো বড় কাউকে দেখান; তিনি অ্যাপয়েন্টমেন্টের ব্যবস্থা করতে সাহায্য করতে পারবেন।

এই সেলফ-চেক কতটা নির্ভুল?

এটি একটি দিকনির্দেশনা, পরীক্ষা নয়। একটি যুক্তিসঙ্গত পরবর্তী পদক্ষেপ দেখাতে আমাদের দল প্রশ্নগুলো লিখেছে, কিন্তু এগুলো বৈজ্ঞানিকভাবে যাচাই (validated) করা হয়নি — তাই ফলাফলে কোনো সমস্যা বাদ পড়তে পারে, আবার কোনোটি বাড়িয়েও দেখাতে পারে। সেদিন মন কেমন আছে, তার প্রভাবও উত্তরে পড়ে। অসুস্থ বোধ করলে বা কাছের মানুষেরা চিন্তিত হলে, ফলাফল যা-ই হোক, একজন বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলুন।

আমার উত্তরগুলোর কী হয়?

উত্তরগুলো আপনার নিজের ফোন বা কম্পিউটারেই হিসাব হয়, আর ফলাফল সাথে সাথে দেখা যায়। উত্তর আমাদের কাছে পাঠানো হয় না, আর ফলাফল দেখতে নাম, ফোন নম্বর বা ইমেইল দিতে হয় না। আপনার ফোন অন্য কেউ ব্যবহার করলে শেষ হওয়ার পর পাতাটি বন্ধ করে দিন।

অন্য কারো হয়ে কি এই সেলফ-চেক পূরণ করা যায়?

এই সেলফ-চেক নিজের সম্পর্কে উত্তর দেওয়ার জন্য লেখা, কারণ কিছু প্রশ্ন এমন চিন্তা ও অনুভূতি নিয়ে, যা কেবল মানুষটি নিজেই বলতে পারেন। পরিবারের কাউকে নিয়ে চিন্তিত হলে আমাদের পরিবারের জন্য সতর্কসংকেত-তালিকা দেখুন। সেখানে বাইরে থেকে চোখে পড়ে এমন পরিবর্তন নিয়ে প্রশ্ন আর পরিবারের জন্য করণীয় দেওয়া আছে।

ফলাফল বেশি এলে কী করব?

বেশি ফলাফল মানে শিগগিরই একজন সাইকিয়াট্রিস্ট দেখানো ভালো। এর মানে এই নয় যে আপনার নির্দিষ্ট কোনো রোগ আছে। বিএমডিসি-নিবন্ধিত যেকোনো সাইকিয়াট্রিস্ট আপনাকে মূল্যায়ন করে চিকিৎসার উপায় — থেরাপি, ওষুধ বা দুটোই — বুঝিয়ে বলতে পারেন। নিজের ক্ষতির চিন্তা এলে, বা এখনই বিপদে থাকলে, ৯৯৯-এ কল করুন অথবা নিকটস্থ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যান।

আমি কি মানসিক রোগী? এই সেলফ-চেক কি তা বলতে পারে?

না, কোনো কুইজই তা বলতে পারে না, আর এভাবে কাউকে তকমা দেওয়াও ঠিক নয়। রোগনির্ণয় কেবল একজন যোগ্য বিশেষজ্ঞই করতে পারেন — আপনার সাথে কথা বলে, স্বাস্থ্য ও ওষুধের খোঁজ নিয়ে এবং পরিস্থিতি বুঝে। এই সেলফ-চেক শুধু একটি ধরন খেয়াল করতে আর কারো সাথে কথা বলবেন কি না, সেই সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে। যাঁরা এ নিয়ে দুশ্চিন্তা করেন, তাঁদের অনেকেই পরে দেখেন যে সমস্যাগুলো খুবই সাধারণ, আর সাহায্যও পাওয়া যায়।

রেফারেন্স

  1. World Health Organization. Mental disorders (fact sheet) — How common mental disorders are, and that effective prevention and treatment options exist.
  2. NHS. Psychosis: symptoms — Hallucinations and delusions, the main signs of psychosis.
  3. NHS. Bipolar disorder: symptoms — Signs of mania, such as very high energy, racing thoughts and little need for sleep.
  4. NHS. Where to get urgent help for mental health — When mental health problems need urgent help. Written for UK readers; in Bangladesh, call 999 or go to a hospital emergency department.