নিজেকে বোঝার কুইজ

পরিবারের সদস্যের কি মানসিক চিকিৎসা দরকার? পরিবারের জন্য ৪ মিনিটের সতর্কসংকেত-তালিকা

সেলফ-চেক শুরু করুন

সংক্ষেপে

৪ মিনিটের এই তালিকা প্রাপ্তবয়স্ক কোনো প্রিয়জনকে নিয়ে চিন্তিত পরিবারের জন্য। গত এক মাসে আপনি যে পরিবর্তনগুলো লক্ষ করেছেন — ঘুম, মন, সন্দেহ, অস্বাভাবিক অভিজ্ঞতা, মাদক ও নিরাপত্তা — তা নিয়ে ১২টি প্রশ্নের উত্তর দিলে একটি যুক্তিসঙ্গত পরবর্তী পদক্ষেপ জানতে পারবেন। এর মাধ্যমে প্রিয়জনের রোগনির্ণয় করা যায় না; সেটা কেবল একজন যোগ্য বিশেষজ্ঞের মূল্যায়নেই সম্ভব।

  • প্রায় ৪ মিনিট
  • ১২টি প্রশ্ন
  • গোপনীয়: উত্তর থাকে আপনার ডিভাইসেই
  • প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য (১৮+)

এটি একটি সেলফ-চেক, রোগনির্ণয় নয়। এতে প্রায় ৪ মিনিট লাগবে। এটি শুধু তথ্যের জন্য — এর মাধ্যমে কোনো রোগনির্ণয় করা যায় না, আর এটি চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্পও নয়। আপনার উত্তর এই ডিভাইসেই থাকে; আমরা তা পাই না।

আপনার সেলফ-চেক

১২টি প্রশ্ন · প্রায় ৪ মিনিট · গোপনীয়: আপনার উত্তর এই ডিভাইসেই থাকে

আপনার বয়স ১৮-এর কম হলে আপনার অনুভূতির কথা বাবা-মা, অভিভাবক, শিক্ষক বা বিশ্বাস করেন এমন কোনো বড় কারো সাথে বলুন। বাবা-মা বা অভিভাবক আপনার জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে পারেন।

গত এক মাসে আপনার পরিবারের সদস্যের কথা ভাবুন। নিচের বিষয়গুলো কি ঘটেছে?

১. তিনি পরিবার ও বন্ধুদের থেকে দূরে সরে গেছেন, বা দিনের বেশিরভাগ সময় নিজের ঘরে থাকেন।
২. তাঁর ঘুমে বড় পরিবর্তন হয়েছে — প্রায় ঘুমান না, অথবা দিনের বেশিরভাগ সময় ঘুমিয়ে থাকেন।
৩. তিনি নিজের যত্ন নেওয়া ছেড়ে দিয়েছেন — গোসল, খাওয়া বা দৈনন্দিন কাজকর্ম।
৪. তাঁকে খুব মন খারাপ বা আশাহীন মনে হয়, অথবা প্রায়ই কাঁদেন।
৫. তিনি অস্বাভাবিক সন্দেহপ্রবণ হয়ে উঠেছেন — যেমন, কারণ ছাড়াই মনে করেন লোকজন তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে বা জীবনসঙ্গী অবিশ্বস্ত।
৬. তিনি নিজে নিজে কথা বলেন, অথবা এমন কণ্ঠ শোনেন বা জিনিস দেখেন যা অন্যরা শোনে বা দেখে না।
৭. তাঁর এমন সময় গেছে যখন অস্বাভাবিক বেশি শক্তি দেখা গেছে — খুব দ্রুত কথা বলা, অনেক খরচ করা বা খুব কম ঘুম।
৮. তিনি আগের চেয়ে বেশি মদ, মাদক (যেমন ইয়াবা, গাঁজা বা কাশির সিরাপ) বা ঘুমের ওষুধ ব্যবহার করছেন।
৯. তাঁর আচরণের কারণে পড়াশোনা, কাজ বা পরিবারে সমস্যা হচ্ছে।
১০. অন্যরা চিন্তিত হলেও তিনি সাহায্য নিতে চান না, বা বলেন তাঁর কোনো সমস্যা নেই।
১১. তিনি মৃত্যু বা আত্মহত্যার কথা বলেছেন, অথবা নিজের ক্ষতি করেছেন। (স্কোরে যোগ হয় না)
১২. তিনি আক্রমণাত্মক হয়েছেন, কাউকে হুমকি দিয়েছেন বা আঘাত করেছেন, অথবা বাসায় আপনি নিজেকে অনিরাপদ বোধ করছেন। (স্কোরে যোগ হয় না)

এই মুহূর্তে বিপদে আছেন? ৯৯৯-এ কল করুন বা নিকটস্থ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যান। জরুরি অবস্থার জন্য এই ওয়েবসাইট পর্যবেক্ষণ করা হয় না।

এই তালিকা কী দেখে

প্রাপ্তবয়স্ক কোনো প্রিয়জনকে নিয়ে চিন্তিত পরিবারের জন্য এই তালিকা — তিনি হতে পারেন ছেলে বা মেয়ে, জীবনসঙ্গী, মা-বাবা বা ভাইবোন। আপনি যা লক্ষ করেছেন তা গুছিয়ে ভাবতে আর পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করতে এটি সাহায্য করে।

প্রশ্নগুলো গত এক মাসের এমন পরিবর্তন নিয়ে, যা পরিবার সাধারণত সবার আগে খেয়াল করে:

  • পরিবার ও বন্ধুদের থেকে দূরে সরে যাওয়া, ঘুম বা নিজের যত্নে বড় পরিবর্তন;
  • খুব মন খারাপ বা আশাহীন দেখানো;
  • অস্বাভাবিক সন্দেহ, নিজে নিজে কথা বলা, অথবা অন্যরা শোনে বা দেখে না এমন কিছু শোনা বা দেখা1;
  • অস্বাভাবিক বেশি শক্তির সময় — খুব দ্রুত কথা বলা বা অনেক খরচ করা2;
  • আগের চেয়ে বেশি মদ, মাদক বা ঘুমের ওষুধ ব্যবহার;
  • পড়াশোনা, কাজ বা পরিবারে সমস্যা, আর সাহায্য নিতে না চাওয়া।

শেষ দুটি প্রশ্ন নিরাপত্তা নিয়ে: মৃত্যু বা আত্মহত্যার কথা বলা, নিজের ক্ষতি করা, আক্রমণাত্মক আচরণ, অথবা বাসায় আপনার নিজেকে অনিরাপদ মনে হওয়া।

কীভাবে কাজ করে, স্কোর কীভাবে হয়

১ থেকে ১০ নম্বর প্রশ্নে “না” উত্তরে ০, “নিশ্চিত নই” উত্তরে ১ আর “হ্যাঁ” উত্তরে ২ স্কোর হয়, তাই মোট স্কোর ০ থেকে ২০। “নিশ্চিত নই” অল্প করে গোনা হয়, কারণ পরিবার অনেক সময় পুরো ছবিটা দেখতে পায় না।

মোট স্কোরফলাফল
০–৪এই মুহূর্তে সতর্কসংকেত কম
৫–১০কিছু লক্ষণ আছে — বিশেষজ্ঞের মতামত নেওয়া ভালো
১১–২০অনেকগুলো সতর্কসংকেত — দ্রুত সাহায্য নিন

মোট স্কোর যা-ই হোক, এই তিনটির যেকোনো একটিতে “হ্যাঁ” উত্তর দিলে ফলাফল সরাসরি তৃতীয় ধাপে যায়:

  • কারণ ছাড়াই অস্বাভাবিক সন্দেহ (৫ নম্বর প্রশ্ন);
  • নিজে নিজে কথা বলা, অথবা অন্যরা শোনে বা দেখে না এমন কণ্ঠ শোনা বা জিনিস দেখা (৬ নম্বর প্রশ্ন);
  • অস্বাভাবিক বেশি শক্তির সময় (৭ নম্বর প্রশ্ন)।

এগুলো সাইকোসিস বা ম্যানিয়ার লক্ষণ হতে পারে, তাই শিগগিরই একজন সাইকিয়াট্রিস্টের মূল্যায়ন করানো ভালো12।

১১ ও ১২ নম্বর প্রশ্ন নিরাপত্তা নিয়ে; এগুলো মোট স্কোরে যোগ হয় না। এর যেকোনোটিতে “হ্যাঁ” বা “নিশ্চিত নই” উত্তর দিলে সাথে সাথে জরুরি সাহায্যের তথ্য দেখানো হয়। এরপরও আপনি তালিকাটি শেষ করে ফলাফল দেখতে পারবেন।

ফলাফলের অর্থ কী হতে পারে

ফলাফল দেখায় আপনি কী লক্ষ করেছেন — আপনার প্রিয়জন মানুষটি কেমন, তা নয়। এই তালিকা দিয়ে প্রিয়জনের রোগনির্ণয় করা যায় না; সেটা কেবল একজন যোগ্য বিশেষজ্ঞের মূল্যায়নেই সম্ভব।

  • এই মুহূর্তে সতর্কসংকেত কম: প্রিয়জনের সাথে কথা চালিয়ে যান, আর পরিস্থিতি বদলালে আবার যাচাই করুন।
  • কিছু লক্ষণ আছে — বিশেষজ্ঞের মতামত নেওয়া ভালো: আপনি যে পরিবর্তনগুলো দেখেছেন, তার কয়েকটি নিয়ে একজন সাইকিয়াট্রিস্টের সাথে কথা বলা ভালো। প্রথম পরামর্শে পরিবারের সদস্যরাও থাকতে পারেন।
  • অনেকগুলো সতর্কসংকেত — দ্রুত সাহায্য নিন: লক্ষণগুলো দেখে মনে হচ্ছে প্রিয়জন হয়তো গুরুতর অসুস্থ, অথবা এমন লক্ষণ আছে যা শিগগিরই একজন সাইকিয়াট্রিস্টের মূল্যায়ন করা দরকার।

এই পরিবর্তনগুলোর পেছনে নানা কারণ থাকতে পারে, তাই কী হচ্ছে তা জানার উপায় হলো সঠিক মূল্যায়ন। সাইকিয়াট্রিস্ট যদি হাসপাতালে ভর্তি ও তত্ত্বাবধানে চিকিৎসার পরামর্শ দেন, তাহলে ভর্তি নিয়ে পরিবারের জন্য গাইড-এ পুরো প্রক্রিয়াটি বুঝিয়ে বলা আছে।

এখন আপনি কী করতে পারেন

  • শান্ত একটি সময় বেছে নিয়ে কথা বলুন। দোষ না দিয়ে বলুন আপনি কী দেখেছেন আর কেন চিন্তিত — যেমন, “কয়েক দিন ধরে ঠিকমতো ঘুম হচ্ছে না দেখছি, খুব চিন্তা হচ্ছে।” নিজে বলার চেয়ে বেশি শুনুন।
  • পরিবর্তনগুলো লিখে রাখুন: কবে শুরু হয়েছে, ঘুম, খাওয়া ও দৈনন্দিন জীবনে কী বদলেছে, আর মৃত্যু বা ক্ষতি নিয়ে কিছু বলেছেন কি না। এমন নোট বিশেষজ্ঞের কাজে লাগে, আর আপনাকে শুধু স্মৃতির ওপর নির্ভর করতে হয় না।
  • অ্যাপয়েন্টমেন্টের ব্যবস্থা করতে আর সাথে যেতে চান বলে জানান। প্রিয়জন নিজে যে সমস্যাটা মানেন — যেমন ঘুম না হওয়া বা মানসিক চাপ — সেটা দিয়ে কথা শুরু করলে অনেক সময় সহজ হয়।
  • সাহায্য নিতে না চাইলে যোগাযোগ রাখুন, পাশে থাকার কথা জানিয়ে রাখুন, আর নিজের জন্য পরামর্শ নিন। দেখুন রোগী চিকিৎসা নিতে না চাইলে কী করবেন এবং প্রিয়জনের পাশে কীভাবে থাকবেন।
  • তাঁর গোপনীয়তাকে সম্মান করুন। প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের গোপনীয়তার অধিকার আছে, তবে জীবনের ঝুঁকি থাকলে তার সীমা আছে।
  • নিজের যত্নও নিন। অসুস্থ কারো দেখাশোনা করা কঠিন: বিশ্রাম নিন, দায়িত্ব ভাগ করে নিন এবং নিজের জন্যও সহায়তা নিন3। আপনি কেমন সামলাচ্ছেন, তা বুঝতে আমাদের সেবাদানকারীর চাপ যাচাই কাজে আসতে পারে।

কখন সাহায্য নেবেন

প্রিয়জন কণ্ঠ শুনলে, খুব সন্দেহপ্রবণ হয়ে উঠলে, প্রায় না ঘুমালে বা না খেলে, অথবা মাদক নিলে দ্রুত মূল্যায়নের ব্যবস্থা করুন। একজন যোগ্য বিশেষজ্ঞ, যেমন বিএমডিসি-নিবন্ধিত সাইকিয়াট্রিস্ট বা ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট, আপনাকে পরামর্শ দিতে পারেন। বেসরকারি চেম্বারের পাশাপাশি সরকারি হাসপাতালেও এই চিকিৎসা পাওয়া যায়।

সাহায্য আসা পর্যন্ত:

  • প্রিয়জন নিজের ক্ষতি করতে পারেন বলে মনে হলে তাঁকে একা রাখবেন না, আর ওষুধ, কীটনাশক ও ধারালো জিনিস নাগালের বাইরে সরিয়ে রাখুন;
  • আপনি নিজে অনিরাপদ বোধ করলে আগে পরিস্থিতি থেকে সরে কোনো নিরাপদ জায়গায় যান। আপনার নিরাপত্তাই সবার আগে।

আত্মহত্যা প্রতিরোধ করা যায়, আর সাহায্যও পাওয়া যায়4।

এই তালিকা সম্পর্কে

Dr. MR Siddique Psychiatry Centre-এর দল পরিবারের জন্য এই তালিকা লিখেছে। এটি কোনো প্রমাণিত (validated) পরীক্ষা নয়। আপনি যা লক্ষ করেছেন তা গুছিয়ে ভাবতে এটি সাহায্য করে, কিন্তু এর মাধ্যমে প্রিয়জনের রোগনির্ণয় করা যায় না; সেটা কেবল একজন যোগ্য বিশেষজ্ঞের মূল্যায়নেই সম্ভব। প্রশ্নগুলো আমাদের নিজেদের ভাষায় লেখা; কোনো প্রকাশিত প্রশ্নমালা থেকে নেওয়া বা অনুবাদ করা নয়।

দয়া করে এটি দিয়ে কাউকে তকমা দেবেন না। নিচের উৎসগুলো এই পাতায় উল্লেখ করা লক্ষণগুলো ব্যাখ্যা করে। কয়েকটি যুক্তরাজ্য বা অস্ট্রেলিয়ার পাঠকদের জন্য লেখা, তবে লক্ষণগুলো সব দেশেই এক।

এই সেলফ-চেক সম্পর্কে

নিজেকে নিয়ে ভাবতে সাহায্য করার জন্য এই কুইজটি আমাদের দল লিখেছে। এটি বৈজ্ঞানিকভাবে যাচাই (validated) করা হয়নি, এবং এর মাধ্যমে কোনো রোগনির্ণয় করা যায় না।

স্কোর যেভাবে হিসাব করা হয়

প্রতিটি উত্তরের স্কোর ০ থেকে ২; সব যোগ করলে মোট স্কোর হয় ০ থেকে ২০। প্রশ্ন ১১, ১২ প্রসঙ্গ বোঝার জন্য — এটি স্কোরে যোগ হয় না।

স্কোর যা বোঝায়
০–৪ এই মুহূর্তে সতর্কসংকেত কম — আপনি খুব কম সতর্কসংকেত লক্ষ করেছেন।
৫–১০ কিছু লক্ষণ আছে — বিশেষজ্ঞের মতামত নেওয়া ভালো — আপনি যে কয়েকটি লক্ষণ লক্ষ করেছেন, সেগুলো নিয়ে একজন সাইকিয়াট্রিস্টের সাথে কথা বলা ভালো।
১১–২০ অনেকগুলো সতর্কসংকেত — দ্রুত সাহায্য নিন — আপনি যে লক্ষণগুলো লক্ষ করেছেন, তাতে মনে হচ্ছে প্রিয়জন হয়তো গুরুতর অসুস্থ, অথবা এমন লক্ষণ আছে যা শিগগিরই একজন সাইকিয়াট্রিস্টের মূল্যায়ন করা দরকার।

সাধারণ প্রশ্ন

এই তালিকা কাদের জন্য?

১৮ বছর বা তার বেশি বয়সী পরিবারের সদস্যদের জন্য, যাঁরা প্রাপ্তবয়স্ক কোনো প্রিয়জনকে নিয়ে চিন্তিত — জীবনসঙ্গী, বড় ছেলে বা মেয়ে, মা-বাবা বা ভাইবোন। গত এক মাসে যে পরিবর্তন দেখেছেন, সেগুলো ভেবে উত্তর দিন। শিশু বা কিশোর-কিশোরীকে নিয়ে চিন্তিত হলে শিশু-কিশোর মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলুন; এই তালিকা তাদের জন্য লেখা নয়।

এই তালিকা কতটা নির্ভুল?

এটি একটি দিকনির্দেশনা, পরীক্ষা নয়। পরিবার যাতে নিজেদের দুশ্চিন্তা গুছিয়ে ভাবতে পারে, সেজন্য আমাদের দল প্রশ্নগুলো লিখেছে, কিন্তু এগুলো বৈজ্ঞানিকভাবে যাচাই (validated) করা হয়নি। প্রিয়জনের জীবনের সবটা আপনি দেখেন না — তাই কিছু লক্ষণ চোখ এড়িয়ে যেতে পারে, আবার কোনোটির অন্য কারণও থাকতে পারে। চিন্তিত হলে ফলাফল যা-ই হোক, একজন বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলুন।

আমার উত্তরগুলোর কী হয়?

উত্তরগুলো আপনার নিজের ফোন বা কম্পিউটারেই হিসাব হয়, আর ফলাফল সাথে সাথে দেখা যায়। উত্তর আমাদের কাছে পাঠানো হয় না। ফলাফলের পর চাইলে আমাদের টিমের কাছ থেকে কল পাওয়ার অনুরোধ করতে পারেন — সেটা ঐচ্ছিক, আর প্রিয়জনের নাম বা অন্য কোনো তথ্য কখনো দিতে হয় না। ফোন অন্য কেউ ব্যবহার করলে শেষ হওয়ার পর পাতাটি বন্ধ করে দিন।

নিজের জন্য, বা অন্য কারো জন্য কি এই তালিকা ব্যবহার করা যায়?

এই তালিকা পরিবারের কোনো সদস্যকে নিয়ে উত্তর দেওয়ার জন্য তৈরি। নিজের অবস্থা যাচাই করতে চাইলে সাইকিয়াট্রিস্ট দেখানো কি দরকার? সেলফ-চেকটি দেখুন — সেখানে আপনার নিজের চিন্তা ও অনুভূতি নিয়ে প্রশ্ন আছে। পরিবারের কয়েকজন চিন্তিত হলে একসাথে বসে তালিকাটি পূরণ করুন, আর কে কী দেখেছেন তা মিলিয়ে নিন।

ফলাফল বেশি এলে, বা প্রিয়জন সাহায্য নিতে না চাইলে কী করব?

বেশি ফলাফল মানে প্রিয়জনকে শিগগিরই একজন সাইকিয়াট্রিস্টকে দিয়ে মূল্যায়ন করানো ভালো; এর মানে এই নয় যে তাঁর নির্দিষ্ট কোনো রোগ আছে। শান্তভাবে কথা বলুন, সাথে যাওয়ার কথা বলুন, আর তিনি রাজি না হলে নিজে পরামর্শ নিন। আত্মহত্যার কথা বললে, নিজের ক্ষতি করে থাকলে, বা কারো বিপদের আশঙ্কা থাকলে এখনই ৯৯৯-এ কল করুন অথবা নিকটস্থ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যান।

এই তালিকা কি প্রিয়জনের রোগনির্ণয় করতে পারে?

না। প্রিয়জনের মানসিক রোগ আছে কি না, কোনো তালিকা তা বলতে পারে না, আর এটি দিয়ে কাউকে তকমা দেওয়াও ঠিক নয়। রোগনির্ণয় কেবল একজন যোগ্য বিশেষজ্ঞই করতে পারেন — প্রিয়জনের সাথে দেখা করে, পরিবারের কথা শুনে এবং শারীরিক স্বাস্থ্য যাচাই করে। সাহায্য চাওয়ার সময় পরিবর্তনগুলো গুছিয়ে বলতে এই তালিকা আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

রেফারেন্স

  1. NHS. Psychosis: symptoms — Hallucinations and delusions, the main signs of psychosis.
  2. NHS. Bipolar disorder: symptoms — Signs of mania, such as very high energy, fast talk, overspending and little need for sleep.
  3. healthdirect (Australian Government). Caring for someone with a mental illness — Practical advice for family carers, including looking after your own health.
  4. World Health Organization. Suicide (fact sheet) — Key facts about suicide, including that suicides are preventable.

প্রথম পদক্ষেপটাই প্রায়ই সবচেয়ে কঠিন

সবকিছু গুছিয়ে বলতে না পারলেও চলবে। গোপনীয় অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন এবং একজন বিশেষজ্ঞের সাথে খোলামেলা কথা বলুন — বাংলা বা ইংরেজিতে।