নিজেকে বোঝার কুইজ

আমি কি টক্সিক? সম্পর্কের অভ্যাস নিয়ে ৪ মিনিটের সেলফ-চেক

সেলফ-চেক শুরু করুন

সংক্ষেপে

৪ মিনিটের এই সেলফ-চেকে কাছের সম্পর্কে মতবিরোধ কীভাবে সামলান, তা নিয়ে ১২টি প্রশ্ন আছে — চুপ করে থাকা, দোষারোপ, সন্দেহ, খোঁজ নেওয়া, ক্ষমা চাওয়া আর মন দিয়ে শোনা। আপনি “টক্সিক মানুষ” কি না, এটি তা বলতে পারে না; কোনো কুইজই পারে না। এটি দেখায় কোন অভ্যাস সম্পর্কে কষ্ট দিতে পারে, আর অভ্যাস বদলানো যায়। এটি একটি সেলফ-চেক, রোগনির্ণয় নয়।

  • প্রায় ৪ মিনিট
  • ১২টি প্রশ্ন
  • গোপনীয়: উত্তর থাকে আপনার ডিভাইসেই
  • ১৬+ বছর বয়সীদের জন্য

এটি একটি সেলফ-চেক, রোগনির্ণয় নয়। এতে প্রায় ৪ মিনিট লাগবে। এটি শুধু তথ্যের জন্য — এর মাধ্যমে কোনো রোগনির্ণয় করা যায় না, আর এটি চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্পও নয়। আপনার উত্তর এই ডিভাইসেই থাকে; আমরা তা পাই না।

আপনার সেলফ-চেক

১২টি প্রশ্ন · প্রায় ৪ মিনিট · গোপনীয়: আপনার উত্তর এই ডিভাইসেই থাকে

গত ৩ মাসে আপনার কাছের সম্পর্কগুলোর কথা ভাবুন — জীবনসঙ্গী, পরিবারের সদস্য বা কাছের বন্ধু। নিচের বিষয়গুলো কত ঘন ঘন ঘটেছে?

১. মন খারাপ বা রাগ হলে কী হয়েছে তা না বলে আমি চুপ করে থাকি বা অন্যজনকে এড়িয়ে চলি।
২. নতুন কোনো তর্কে আমি পুরনো ভুলের কথা টেনে আনি।
৩. অন্যজনের সম্মতি ছাড়া আমি তার ফোন, মেসেজ বা সে কোথায় আছে তা খোঁজ করি।
৪. নিজের ভুল বুঝতে পারলেও 'সরি' বলা আমার জন্য কঠিন।
৫. আমি এমন ঠাট্টা বা মন্তব্য করি যাতে অন্যজন ছোট হয়ে যায় — বিশেষ করে অন্যদের সামনে।
৬. অন্যজন আমাকে ছাড়া বন্ধু বা পরিবারের সাথে সময় কাটালে আমি রাগ করি বা অভিমান করে থাকি।
৭. তর্কের সময় আমি চিৎকার করি, অপমান করি বা হুমকি দিই।
৮. আমি আশা করি না বললেও অন্যরা আমার প্রয়োজন বুঝে নেবে, আর না বুঝলে কষ্ট পাই।
৯. নিজের অনুভূতি বা কোনো কিছু খারাপ হওয়ার জন্য আমি অন্যদের দোষ দিই।
১০. নিজের কথা মানাতে আমি অন্যজনের মনে অপরাধবোধ জাগিয়ে তুলি — যেমন বলি, "তোমার জন্য এত কিছু করলাম, আর তুমি…"
১১. উত্তর দেওয়ার আগে আমি অন্যজনের কথা পুরোটা মন দিয়ে শুনি।
১২. কেউ 'না' বললে আমি চাপ না দিয়ে সেটা মেনে নিই।

এই মুহূর্তে বিপদে আছেন? ৯৯৯-এ কল করুন বা নিকটস্থ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যান। জরুরি অবস্থার জন্য এই ওয়েবসাইট পর্যবেক্ষণ করা হয় না।

এই সেলফ-চেক কী দেখে

সম্পর্ক কঠিন মনে হলে অনেকেই নিজেকে প্রশ্ন করেন, “আমি কি টক্সিক?” এই সেলফ-চেক প্রশ্নটিকে আরও কাজের একটি প্রশ্নে বদলে দেয়: আপনার কোন অভ্যাসগুলো কাছের সম্পর্ককে মজবুত করে, আর কোনগুলো হয়তো কষ্ট দিচ্ছে?

১২টি প্রশ্ন গত তিন মাস নিয়ে — জীবনসঙ্গী, পরিবারের সদস্য বা কাছের বন্ধুর সাথে। বেশিরভাগ প্রশ্ন এমন অভ্যাস নিয়ে, যা সাধারণত বিশ্বাস কমিয়ে দেয়:

  • কী হয়েছে না বলে চুপ করে থাকা বা অন্যজনকে এড়িয়ে চলা;
  • পুরনো ভুল টেনে আনা, অন্যকে দোষ দেওয়া, বা অপরাধবোধ জাগিয়ে নিজের কথা মানানো;
  • সম্মতি ছাড়া অন্যজনের ফোন বা অবস্থান খোঁজ করা, অথবা আপনাকে ছাড়া সময় কাটালে রাগ বা অভিমান করা;
  • ছোট করে কথা বলা, চিৎকার, অপমান বা হুমকি;
  • ভুল বুঝেও ‘সরি’ বলতে না পারা, বা না বললেও অন্যরা প্রয়োজন বুঝে নেবে — এমন আশা করা।

দুটি প্রশ্ন এমন অভ্যাস নিয়ে, যা সম্পর্ককে রক্ষা করে: মন দিয়ে শোনা, আর চাপ না দিয়ে ‘না’ মেনে নেওয়া। সম্পর্কগুলো সুস্থ থেকে অস্বাস্থ্যকর, এমনকি নির্যাতনমূলক — এমন এক পরিসরের যেকোনো জায়গায় থাকতে পারে; সুস্থ সম্পর্কের ভিত্তি হলো খোলামেলা কথা, সম্মান, বিশ্বাস ও সততা1।

কীভাবে কাজ করে, স্কোর কীভাবে হয়

প্রতিটি উত্তরে ০ (“কখনো না বা খুব কম”) থেকে ৩ (“প্রায় সবসময়”) পর্যন্ত স্কোর হয়। ১১ ও ১২ নম্বর প্রশ্ন ভালো অভ্যাস নিয়ে, তাই এগুলোর স্কোর উল্টোভাবে হিসাব হয়: “প্রায় সবসময়” উত্তরে স্কোর ০, আর “কখনো না বা খুব কম” উত্তরে ৩। মোট স্কোর ০ থেকে ৩৬; স্কোর যত বেশি, সম্পর্কে কষ্ট দিতে পারে এমন অভ্যাস তত বেশি।

মোট স্কোরফলাফল
০–১০বেশিরভাগই সম্মানজনক অভ্যাস
১১–২০কিছু অভ্যাস নিয়ে কাজ করার সুযোগ আছে
২১–৩৬কিছু অভ্যাস হয়তো আপনার সম্পর্কে কষ্ট দিচ্ছে

তর্কের সময় প্রায়ই চিৎকার, অপমান বা হুমকি থাকে বলে জানালে, মোট স্কোর যা-ই হোক, ফলাফলের সাথে রাগ ও নিরাপত্তা নিয়ে একটি বাড়তি পরামর্শ দেখানো হয়। বিষয়টি আরও খুঁটিয়ে দেখতে রাগ নিয়ে সেলফ-চেক করে দেখতে পারেন।

ফলাফল কখনো আপনাকে “টক্সিক মানুষ” বলে না। এটি অভ্যাসের কথা বলে, কারণ অভ্যাসই বদলানো যায়।

ফলাফলের অর্থ কী হতে পারে

ফলাফল আপনার উত্তরের অভ্যাসগুলো দেখায় — আপনি মানুষটি কেমন, তা নয়। ক্লান্তি, চাপ বা কষ্টের সময় সবাই কখনো কখনো এসব অভ্যাসে জড়িয়ে পড়েন। আসল কথা হলো, কত ঘন ঘন এমন হয়, আর পরে সম্পর্ক ঠিক করার চেষ্টা থাকে কি না।

  • বেশিরভাগই সম্মানজনক অভ্যাস: মতবিরোধেও আপনি বেশিরভাগ সময় সম্মান বজায় রাখেন। কঠিন দিনের পর কী কাজে দেয়, তা খেয়াল রাখুন।
  • কিছু অভ্যাস নিয়ে কাজ করার সুযোগ আছে: চুপ করে থাকা, দোষারোপ বা খোঁজ নেওয়ার মতো কিছু অভ্যাস ধীরে ধীরে বিশ্বাস কমাতে পারে। ছোট কিন্তু নিয়মিত পরিবর্তন অনেক কাজে দেয়।
  • কিছু অভ্যাস হয়তো আপনার সম্পর্কে কষ্ট দিচ্ছে: কষ্টের কারণ হয় এমন কয়েকটি অভ্যাস দেখা যাচ্ছে। এটা খেয়াল করতে পারাটাই সাহসের কাজ, আর সহায়তা পেলে এই অভ্যাসগুলো বদলানো যায়।

জীবনসঙ্গীর ফোন ঘাঁটা বা কেউ ‘না’ বলার পরও চাপ দেওয়ার মতো কিছু অভ্যাস আসলে নিয়ন্ত্রণের একটি রূপ1। আপনার উত্তরে এগুলো এলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে ভাবুন।

কখন বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলবেন। একজন যোগ্য বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলুন — যেমন কাউন্সেলর, ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট বা বিএমডিসি-নিবন্ধিত মনোরোগ বিশেষজ্ঞ (সাইকিয়াট্রিস্ট) — যদি:

  • তর্ক প্রায়ই চিৎকার, হুমকি বা ধাক্কাধাক্কিতে গড়ায়;
  • সন্দেহ বা খোঁজ নেওয়ার তাড়না নিজের নিয়ন্ত্রণের বাইরে মনে হয়;
  • জীবনসঙ্গীকে নিয়ে এমন দৃঢ় সন্দেহ থাকে, যা অন্যরা মানতে পারেন না;
  • রাগের সাথে মন খারাপ, মদ বা মাদক ব্যবহার থাকে।

দুজনেই সম্পর্ক নিয়ে কাজ করতে চাইলে কাপল বা ফ্যামিলি সেশন সাহায্য করতে পারে; নিজে থেকে শুরু করতে চাইলে একক সেশনও কাজে দেয়।

সম্পর্কে নিজেকে অনিরাপদ মনে হলে

কেউ কেউ এই সেলফ-চেক করেন, কারণ তাঁদের প্রতিনিয়ত দোষ দেওয়া হয়, নিয়ন্ত্রণ করা হয় বা আঘাত করা হয় — আর তাঁরা ভাবেন, দোষটা হয়তো তাঁদেরই। এই সেলফ-চেক আপনার নিজের অভ্যাস দেখে; নির্যাতন হচ্ছে কি না, তা যাচাই করে না। কাছের কাউকে নিয়ে যদি আপনি ভয় পান, অথবা কেউ আপনাকে আঘাত করে, হুমকি দেয় বা নিয়ন্ত্রণ করে — তাহলে সেটা আপনার দোষ নয়।

নির্যাতন শুধু শারীরিক নয়। হুমকি, সারাক্ষণ ছোট করে কথা বলা, আর পরিবার ও বন্ধুদের থেকে আলাদা করে ফেলাও নির্যাতনের অংশ হতে পারে2।

এই পাতা থেকে সাথে সাথে বেরোতে যেকোনো সময় “দ্রুত বের হোন” বোতামটি ব্যবহার করুন। আপনি কাউকে আঘাত করে থাকলে, বা করে ফেলতে পারেন বলে মনে হলে, এখনই একজন বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলুন।

এখন আপনি কী করতে পারেন

অভ্যাস বদলায় ছোট ছোট পদক্ষেপে, বারবার চর্চায়। এই মাসে চর্চার জন্য একটি বা দুটি বেছে নিন:

  • চুপ না থেকে অনুভূতিটা বলুন। নীরবতা বা দোষারোপের চেয়ে “ওই কথাটায় আমি কষ্ট পেয়েছি” শোনা অনেক সহজ।
  • প্রতিক্রিয়ার আগে থামুন। গলা চড়ছে বা শরীর শক্ত হয়ে আসছে টের পেলে একটু বিরতি নিন, শান্ত হয়ে আবার কথা বলুন। ধীরে শ্বাস নেওয়া বা দশ পর্যন্ত গোনা রাগ কমাতে সাহায্য করতে পারে3।
  • এখনকার কথায় থাকুন। এই মতবিরোধ নিয়ে কথা বলুন, পুরনো ভুল নিয়ে নয়।
  • নির্দিষ্ট করে ক্ষমা চান। তাড়াহুড়োর ‘সরি’র চেয়ে “চিৎকার করেছি, সেজন্য আমি দুঃখিত” অনেক বেশি কাজে দেয়।
  • উত্তর দেওয়ার আগে পুরোটা শুনুন, তারপর ঠিক বুঝেছেন কি না জেনে নিন।
  • গোপনীয়তা আর ‘না’-কে সম্মান করুন। ফোন না ঘেঁটে সরাসরি জিজ্ঞেস করুন, আর ‘না’ শুনলে চাপ দেবেন না।
  • নিজের প্রয়োজন মুখে বলুন। না বললে অন্যরা তা আন্দাজ করতে পারেন না।

রাগ, মদ বা মন খারাপের কারণে এসব পদক্ষেপ কঠিন মনে হলে, সেটা ব্যর্থতা নয় — সাহায্য নেওয়ার সংকেত।

এই কুইজ সম্পর্কে

Dr. MR Siddique Psychiatry Centre-এর দল এই কুইজটি লিখেছে, যাতে মানুষ নিজের সম্পর্কের অভ্যাস নিয়ে ভাবতে পারেন। আপনি “টক্সিক মানুষ” কি না — এটি তার পরীক্ষা নয়; কোনো কুইজই তা বলতে পারে না। এটি কোনো প্রমাণিত (validated) পরীক্ষা বা রোগনির্ণয় নয়, এবং নির্যাতন হচ্ছে কি না, তা-ও যাচাই করে না। প্রশ্নগুলো আমাদের নিজেদের ভাষায় লেখা; কোনো প্রকাশিত প্রশ্নমালা থেকে নেওয়া বা অনুবাদ করা নয়।

নিচের উৎসগুলো সুস্থ ও অস্বাস্থ্যকর সম্পর্কের অভ্যাস, নির্যাতনের লক্ষণ আর রাগ সামলানোর উপায় ব্যাখ্যা করে। এগুলো যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের পাঠকদের জন্য লেখা, তবে বিষয়গুলো সব দেশেই প্রাসঙ্গিক।

এই সেলফ-চেক সম্পর্কে

নিজেকে নিয়ে ভাবতে সাহায্য করার জন্য এই কুইজটি আমাদের দল লিখেছে। এটি বৈজ্ঞানিকভাবে যাচাই (validated) করা হয়নি, এবং এর মাধ্যমে কোনো রোগনির্ণয় করা যায় না।

স্কোর যেভাবে হিসাব করা হয়

উত্তরগুলো যোগ করে মোট স্কোর হিসাব করা হয় — কিছু উত্তরের গুরুত্ব বেশি, কিছু উল্টোভাবে গোনা হয় — মোট স্কোর ০ থেকে ৩৬।

স্কোর যা বোঝায়
০–১০ বেশিরভাগই সম্মানজনক অভ্যাস — আপনার উত্তরে দেখা যাচ্ছে, মতবিরোধ হলেও আপনি বেশিরভাগ সময় সম্মান বজায় রাখেন।
১১–২০ কিছু অভ্যাস নিয়ে কাজ করার সুযোগ আছে — আপনার উত্তরে কিছু অভ্যাস দেখা যাচ্ছে — যেমন চুপ করে থাকা, দোষারোপ বা খোঁজখবর নেওয়া — যা ধীরে ধীরে বিশ্বাস কমাতে পারে।
২১–৩৬ কিছু অভ্যাস হয়তো আপনার সম্পর্কে কষ্ট দিচ্ছে — আপনার উত্তরে এমন কয়েকটি অভ্যাস দেখা যাচ্ছে, যা কাছের সম্পর্কে প্রায়ই কষ্টের কারণ হয়। এটা খেয়াল করতে পারাটাই সাহসের কাজ।

সাধারণ প্রশ্ন

এই সেলফ-চেক কাদের জন্য?

১৬ বছর বা তার বেশি বয়সী যে কেউ, যিনি জীবনসঙ্গী, পরিবারের সদস্য বা কাছের বন্ধুর সাথে ঘনিষ্ঠতা ও মতবিরোধ কীভাবে সামলান, তা সৎভাবে দেখতে চান। গত তিন মাসে নিজের অভ্যাসের কথা ভেবে উত্তর দিলে এটি সবচেয়ে ভালো কাজ করে। বয়স ১৮-এর কম হলে ফলাফল নিয়ে বাবা-মা বা বিশ্বাস করেন এমন কোনো বড় কারো সাথে কথা বলতে পারেন।

এই সেলফ-চেক কতটা নির্ভুল?

এটি নিজেকে নিয়ে ভাবার একটি উপায়, পরীক্ষা নয়। আমাদের দল প্রশ্নগুলো লিখেছে, আর এগুলো বৈজ্ঞানিকভাবে যাচাই (validated) করা হয়নি — তাই ফলাফল ভাবনার শুরু, চূড়ান্ত রায় নয়। সাম্প্রতিক কোনো ঝগড়া, সেদিনের মন বা একটি কঠিন সম্পর্কও উত্তরে প্রভাব ফেলতে পারে। মতবিরোধ নিয়ে কাছের মানুষেরা চিন্তিত হলে, ফলাফল যা-ই হোক, বিষয়টি গুরুত্ব দিন।

আমার উত্তরগুলোর কী হয়?

উত্তরগুলো আপনার নিজের ফোন বা কম্পিউটারেই হিসাব হয়, আর ফলাফল সাথে সাথে দেখা যায়। উত্তর আমাদের কাছে পাঠানো হয় না, আর ফলাফল দেখতে নাম, ফোন নম্বর বা ইমেইল দিতে হয় না। আপনার ফোন অন্য কেউ ব্যবহার করলে শেষে পাতাটি বন্ধ করে দিন, অথবা সাথে সাথে বেরোতে “দ্রুত বের হোন” বোতাম ব্যবহার করুন।

জীবনসঙ্গী বা অন্য কারো সম্পর্কে কি এটি পূরণ করা যায়?

না। এই সেলফ-চেক আপনার নিজের অভ্যাস নিয়ে, কারণ মতবিরোধের সময় আপনি কী করেন, তা কেবল আপনিই বলতে পারেন। কেউ আপনার সাথে কেমন আচরণ করেন, তা নিয়ে চিন্তিত হলে এই পাতার “সম্পর্কে নিজেকে অনিরাপদ মনে হলে” অংশটি পড়ুন। আঘাত, হুমকি বা নিয়ন্ত্রণের শিকার হওয়া আপনার দোষ নয়; এখনই বিপদে থাকলে ৯৯৯-এ কল করুন।

ফলাফল বেশি এলে কী করব?

বেশি ফলাফল মানে আপনার উত্তরে এমন কয়েকটি অভ্যাস দেখা গেছে, যা প্রায়ই কষ্টের কারণ হয়। এর মানে এই নয় যে আপনি খারাপ মানুষ — অভ্যাস বদলানো যায়। প্রথমে একটি অভ্যাস বেছে নিয়ে কাজ শুরু করুন, আর একজন কাউন্সেলর, কাপল বা ফ্যামিলি থেরাপিস্ট, কিংবা অন্য কোনো যোগ্য বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলার কথা ভাবুন। তর্কে হুমকি বা সহিংসতা থাকলে, বা কারো বিপদের আশঙ্কা থাকলে, ৯৯৯-এ কল করুন।

আমি টক্সিক মানুষ কি না, এই সেলফ-চেক কি তা বলতে পারে?

না। ‘টক্সিক’ কোনো রোগনির্ণয় নয়, আর মানুষ হিসেবে আপনি কেমন, তা কোনো কুইজই বিচার করতে পারে না। এই সেলফ-চেক অভ্যাস দেখে, আর চর্চা ও সহায়তায় অভ্যাস বদলানো যায়। এটি নির্যাতন বা কোনো মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যাও যাচাই করে না। কী হচ্ছে তা বুঝতে একজন যোগ্য বিশেষজ্ঞের মূল্যায়ন প্রয়োজন।

রেফারেন্স

  1. love is respect. The relationship spectrum — A US resource describing healthy, unhealthy and abusive behaviours in relationships.
  2. NHS. Getting help for domestic violence and abuse — Signs of domestic abuse, including threats, put-downs and being cut off from family and friends. Written for UK readers.
  3. NHS. Get help with anger — Ways to calm anger in the moment, such as breathing slowly and counting to ten. Written for UK readers.